দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেইজিংয়ে বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করে চীন। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই কুচকাওয়াজ তদারকি করেন। এ সময় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) বিরলভাবে তাদের আধুনিক অস্ত্রভাণ্ডারের প্রদর্শন করে।
প্রথমবারের মতো চীন একসঙ্গে আকাশ, স্থল ও সমুদ্র থেকে নিক্ষেপযোগ্য ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ সক্ষমতার প্রদর্শন করে। এর মধ্যে ছিল—
জিংলেই-১: আকাশভিত্তিক দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র জুলাং-৩ : সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ডংফেং-৬১ ও ডংফেং-৩১ : স্থলভিত্তিক আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র
এ ছাড়া প্রদর্শিত হয় ডংফেং-৫সি, যা ১৯৭০-এর দশকে শুরু হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সর্বশেষ সংস্করণ। তরল জ্বালানিভিত্তিক এ ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে একাধিক স্বাধীন ওয়ারহেড নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর কৃত্রিম মডেলে পরীক্ষা করা হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রও প্রদর্শন করে চীন। এর মধ্যে ছিল ইংজি-১৯, ইংজি-১৭ ও ইংজি-২০। এ ছাড়া কুচকাওয়াজে দেখা যায়—
ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র: চাংজিয়ান-২০এ, ইংজি-১৮সি, চাংজিয়ান-১০০০ অন্য হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র**: ইংজি-২১, ডংফেং-১৭ ও ডংফেং-২৬ডি, যেগুলো ‘সব আবহাওয়ায় যুদ্ধ সক্ষমতা’ সম্পন্ন বলে দাবি করেছে চীনা গণমাধ্যম।
ড্রোন হামলা ঠেকাতে চীন লেজার প্রযুক্তি কাজে লাগাচ্ছে। কুচকাওয়াজে প্রদর্শিত হয়— ক্ষেপণাস্ত্র গান, উচ্চক্ষমতার লেজার অস্ত্র, মাইক্রোওয়েভ অস্ত্র।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, এগুলো মিলে পিএলএর ‘অ্যান্টি-ড্রোন ট্রায়াড’ সক্ষমতা গড়ে উঠেছে।
চীন পানির নিচে ও আকাশে চালানো যায় এমন ড্রোন প্রদর্শন করেছে। এগুলো নজরদারি ও লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসে ব্যবহৃত হতে পারে। পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ থেকে নিক্ষেপযোগ্য মানববিহীন হেলিকপ্টারও প্রদর্শনীতে ছিল।
এমএস/