দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ওয়াশিংটনের নিরাপদ এলাকাগুলোতে শত শত ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। সেনাদের দেখা যাচ্ছে ন্যাশনাল মলে পর্যটকদের সঙ্গে ছবি তুলতে, খাবারের ট্রাক থেকে আইসক্রিম কিনতে কিংবা হাঁটাহাঁটি করতে। তবে তারা শহরের উচ্চ অপরাধপ্রবণ এলাকায় মোতায়েন নেই।
শুক্রবার পেন্টাগন জানিয়েছে, শিগগিরই সেনারা তাদের অফিসিয়াল অস্ত্রসহ দায়িত্ব পালন শুরু করবে। বর্তমানে প্রায় দুই হাজার সেনা, এর মধ্যে ১ হাজার ২০০ জন রিপাবলিকান-নেতৃত্বাধীন ছয় অঙ্গরাজ্য থেকে আসা, ওয়াশিংটনে মোতায়েন রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, এটি রাজধানীতে অপরাধ দমন অভিযানের অংশ। যদিও পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শহরে অপরাধের হার কমেছে।
এ নিয়ে ওয়াশিংটনের মেয়র মিউরিয়েল বাউজার বলেন, তিনি মনে করেন না সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য অপরাধ দমন। বরং রাজধানীতে সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি তাকে উদ্বিগ্ন করেছে।
শহরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ওয়ার্ড ৮-এ অপরাধপ্রবণতা সবচেয়ে বেশি, সেখানকার বাসিন্দারা বলেছেন, তারা কোনো সেনা দেখেননি। অনেকেই বলছেন, প্রকৃতপক্ষে সেখানেই সেনা মোতায়েন প্রয়োজন।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনারা গ্রেপ্তার অভিযানে যুক্ত নয়। তাদের কাজ মূলত ফেডারেল স্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং দৃশ্যমান উপস্থিতি বজায় রাখা।
ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তারা অপরাধ মোকাবিলায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত নন। তাদের অনেককে বলা হয়েছে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বলতে। পরিবর্তে একটি লিখিত বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, যেখানে বলা আছে—তারা শহরকে নিরাপদ ও সুন্দর রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করছেন।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল র্যান্ডি ম্যানার মনে করেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প অন্য ডেমোক্র্যাট-নেতৃত্বাধীন শহরগুলোতেও সেনা পাঠাতে পারেন। তার ভাষায়, 'আমরা এমন এক পরিস্থিতিতে যাচ্ছি যেখানে অপরাধ দমনে সেনা ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
অন্যদিকে, পর্যটকদের অনেকে সেনা মোতায়েনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, শহর এখন আগের তুলনায় আরও নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন মনে হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স
/অ