দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিঙ্গাপুরে আত্মহত্যা গত বছর প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়ে দুই দশকের বেশি সময়ে তাদের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। একটি স্থানীয় এনজিওতে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দেশটির বাসিন্দাদের ‘অদেখা মানসিক যন্ত্রণা’র প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পেয়েছে।
প্রতিরোধ কেন্দ্র সামারিটানস অব সিঙ্গাপুর (এসওএস)-এর প্রকাশিত পরিসংখ্যান সম্বলিত বার্ষিক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১০ থেকে ২৯ বছর বয়সী এবং ৭০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে আত্মহত্যার হার বিশেষভাবে উদ্বেগজনক ছিল।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২২ সালে মোট ৪৭৬ জন আত্মহত্যা করেছে যা ২০০০ হাজার সালের পর সর্বোচ্চ রেকর্ডকৃত আত্মহত্যার মৃত্যু। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ৩৭৮।
গবেষণায় বলা হয়েছে, টানা চার বছর ধরে ১০ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের মৃত্যুর প্রধান কারণ আত্মহত্যা যা এই বয়সে মোট মৃত্যুর ৩৩.৬ শতাংশ দায়ী।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বিশ্বব্যাপী ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মৃত্যুর চতুর্থ প্রধান কারণ আত্মহত্যা।
বিশ্বের সর্বনিম্ন প্রজনন হারের দেশ সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যার বেশিরভাগ বয়স্ক। দেশটিতে প্রতি চারজনে একজনের বয়স ২০৩০ সালের মধ্যে ৬৫ বা তার বেশি হবে। তিন বছর আগে এই হার প্রতি ছয়জনের মধ্যে একজন ছিল।
এসওএস-এর প্রধান নির্বাহী গ্যাসপার ট্যান বলেন, আত্মহত্যা একটি জটিল সমস্যা যা মানসিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ, সামাজিক চাপ এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সহ বিভিন্ন কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়। আমরা পরিস্থিতির জরুরিতাকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং ক্রমবর্ধমান আত্মহত্যার সংখ্যা মোকাবিলায় সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া এবং প্রয়োজনে যাদের সহায়তা প্রদান করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ৭ লাখের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে মারা যায়।