দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের জম্মু ও কাশ্মির রাজ্যের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার জেরে চরম উত্তেজনা চলছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। এই আবহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানকে সমর্থন করে পোস্ট দেওয়ায় অন্তত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের পুলিশ।
রাজ্য প্রশাসনের বরাত দিয়ে বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি অনলাইন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভবিষ্যতেও এই গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মঙ্গলবার রাজধানী গুয়াহাটিতে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, “ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো সাদৃশ্য নেই। দু’টি দেশ পরস্পরের শত্রু এবং আমরা তাই থাকব।”
এর আগে গত ২৪ এপ্রিল, অর্থাৎ পেহেলগাঁওয়ে হামলার দু’দিন পর গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আসাম রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) বিধায়ক আমিনুল ইসলামকে। ২০১৯ সালে কাশ্মিরের পুলোওয়ামায় ভারতের আধা সামরিক বাহিনী সিআরপিএফের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে যে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল, সে সময় এই হামলাকে ‘বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির ষড়যন্ত্র’ বলে উল্লেখ করে একটি ভিডিওবার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন এআইইউডিএফ আসাম রাজ্য শাখার জ্যেষ্ঠ নেতা আমিনুল ইসলাম। ২২ এপ্রিল পেহেলগাঁওয়ে হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পুরোনো ভিডিওবার্তাটি ভাইরাল হয়। এর জেরে গ্রেপ্তার করা হয় বিধায়ক আমিনুল ইসলামকে।
গত ২২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে ভারতের জম্মু ও কাশ্মির রাজ্যের পেহেলগাঁও জেলার বৈসরণ উপত্যকায় পর্যটকদের ওপর হামলা চালায় কাশ্মিরভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই তৈয়বার উপশাখা দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট।
ভয়াবহ এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত এবং তাৎক্ষণিকভাবে দেশটির সিন্ধু নদের পানিবন্টন চুক্তি স্থগিতসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। পাল্টা জবাব হিসেবে ভারতের জন্য নিজেদের স্থল ও আকাশসীমা বন্ধসহ একাধিক পদক্ষেপ নেয় পাকিস্তানও।
এ হামলাকে ঘরে গত এক সপ্তাহ ধরে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই চিরবৈরী প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। এই আবহেই গতকাল মঙ্গলবার ভারতের শীর্ষ সেনা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই বৈঠকে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে পাকিস্তান হামলার জন্য সবুজ সংকেত তিনি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, ভারত কোনো প্রকার সামরিক পদক্ষেপ নিলে তার উপযুক্ত জবাব দেবে ইসলামাবাদ। সূত্র : এনডিটিভি অনলাইন
কে