দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রুশ সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর অন্যতম সহযোগী ও বেসরকারি সামরিক বাহিনী পিএমসি ওয়াগনার। এরইমধ্যে ২৫ হাজার সেনা নিয়ে সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে রাজধানীর পথে যাত্রা করেছে বিদ্রোহীরা। ইউক্রেন সীমান্তবর্তী অনেক এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই পক্ষ। এ কারণে, মস্কোসহ রাশিয়ার বিভিন্ন শহরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। বিদ্রোহ রুখতে প্রিগোঝিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ক্রেমলিন। খবর আলজাজিরার।
শুক্রবার (২৩ জুন) এক টেলিগ্রাম বার্তায় আবারও কোনো প্রমাণ ছাড়াই ওয়াগনার প্রধান দাবি করেন যে, দুই হাজার ওয়াগনার সেনাকে হত্যা করেছে রুশ সেনারা। হুঁশিয়ারি দেন প্রতিশোধের। তবে, এটিকে সামরিক অভ্যুত্থান নয় বরং ন্যায়বিচারের যাত্রা বলে আখ্যা দেন প্রিগ্রোঝিন। তিনি জানান, মস্কোয় সামরিক নেতৃত্ব উৎখাত করাই লক্ষ্য।
অডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমরা মস্কো অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের বাহিনীর ২৫ হাজার সদস্য এই অভিযানে যোগ দিয়েছে। (এই যাত্রাপথে) কেউ যদি আমাদের প্রতিরোধ করতে চায়, সেক্ষেত্রে আমরা সেই প্রতিরোধকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করব এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা ধ্বংস করব।’
অডিও বক্তব্যে বেশ কয়েকবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং দেশটির সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ ভ্যালেরি গেরাসিমোভের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন পিএমসি ওয়াগনারের শীর্ষ কমান্ডার। তাদেরকে ‘নোংরা বিশ্বাসঘাতক’ উল্লেখ করে প্রিগোঝিন বলেন, ‘আমরা তাদের নোংরামোর শেষ দেখতে চাই। আমরা কোনো সেনা অভ্যুত্থান করছি না, বরং ন্যায়বিচারের জন্য (মস্কো অভিমুখে) এগিয়ে চলছি।’
এদিকে, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে ব্যাপকভাবে বাড়ানো করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরিস্থিতি কিছুটা অস্পষ্ট হলেও সরকারি ভবন, বাস স্টপেজ, রেলস্টেশনগুলোসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোয় টহল দিচ্ছে সেনা সদস্যরা।
২০২২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করেছে রুশ বাহিনী। এই অভিযান শুরুর কয়েক মাস পর রুশ বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয় রুশভিত্তিক বেসরকারি সামরিক কোম্পানি পিএমসি ওয়াগনার। ইউক্রেন ছাড়াও সিরিয়া, লিবিয়া, মালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অর্থের বিনিময়ে সরকারি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে যুদ্ধ করছেন ওয়াগনারের সেনাসদস্যরা।