দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফ্রান্সে পার্লামেন্টের দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের পর ফ্রান্স জুড়ে দাঙ্গা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। মেরিন লে পেনের কট্টর-ডানপন্থী আরএন পার্টিকে বামপন্থী জোট এবং প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থী জোট সরকার গঠনে বাধা দেয়।
ফ্রান্সের নির্বাচনে বামপন্থিদের জোট পার্লামেন্টের বেশিরভাগ আসনে জিতেছে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থি জোট দ্বিতীয় অবস্থানে আর উগ্র ডানপন্থি দল রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে।
মূলত ডানপন্থি দলটি নির্বাচনে জেতার আশা করলেও তারা নেমে গেছে তৃতীয় অবস্থানে। অন্যদিকে বামপন্থিদের জোট বেশিরভাগ আসনে জিতলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না কোনও দল।
সোমবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপগুলিতে দেখা গেছে, মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় দাঙ্গা পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
রিপোর্ট অনুযায়ী, হাজার হাজার মানুষ রাজধানী প্যারিসের প্লেস দে লা রিপাবলিক-এ বামপন্থী জোটের বিজয় উদযাপন করতে জড়ো হয়। এসময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
উত্তরের শহর লিলে বামপন্থী কর্মীদের এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ এখানে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে।
এদিকে, পশ্চিম ফ্রান্সের রেনেস শহর থেকে পুলিশ ২৫ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। বামপন্থী বিক্ষোভকারীরা এ সময় "সবাই পুলিশকে ঘৃণা করে" বলে স্লোগান দিয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে।
ফরাসি সরকার নির্বাচনের ফলাফলের পরে সহিংসতার আশংকায় অতিরিক্ত ৩০ হাজার পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে। কট্টর-বাম বা কট্টর-ডান কেউই যাতে "বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে" সফল না হয় সে জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছিল।
সূত্র: ডব্লিউআইওএন।
এমএ