দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্পেন থেকে উরুগুয়েগামী এয়ার ইউরোপার বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার ফ্লাইটে তীব্র ঝাঁকুনি (এয়ার টার্বুলেন্স) ত্রিশজন যাত্রী আহত হয়েছেন। সোমবারের (১ জুলাই) এই ঘটনায় অনেকের ঘাড় এবং মাথার খুলিতে আঘাত পেয়েছেন।
এক মাসেরও কম সময়ে বিশ্বব্যাপী এমন দুর্ঘটনা ঘটল। এয়ার ইউরোপার ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, উড়োজাহাজটির ৩৩৯ জন যাত্রী বহনের সক্ষমতা রয়েছে।
স্প্যানিশ উড়োজাহাজ সংস্থাটি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে বলা হয়, মাদ্রিদ থেকে উরুগুয়ের মোন্তেভিদেওর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ফ্লাইট ইউএক্স ০৪৫। যাত্রাপথে ফ্লাইটটি মাঝ-আকাশে তীব্র ঝাঁকুনির কবলে পড়ে। এ কারণে ফ্লাইটটিকে ব্রাজিলের নাটাল বিমানবন্দর অভিমুখে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
ফ্লাইটটি (UX045) সোমবার ভোরে ব্রাজিলের সমুদ্রতীরবর্তী শহর নাটালে জরুরি অবতরণ করে। ফ্লাইট ডেটা অনুসারে জানা যায়, মাদ্রিদ থেকে যাত্রার পরে ওই ফ্লাইটে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে এই ধরণের ঝাঁকুনির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।
এয়ার ইউরোপার পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, ফ্লাইটটি স্বাভাবিকভাবে ব্রাজিলের বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রীদের মধ্যে যারা আঘাত পেয়েছেন, তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ম্যাক্সিমিলিয়ানো নামের এক যাত্রী বলেন, মাঝ-আকাশে তীব্র ঝাঁকুনিকালে যাদের সিটবেল্ট বাধা ছিল না, তারা উড়োজাহাজের ছাদের অংশে গিয়ে আঘাত খান। এতে আহত হন। আর যাদের সিটবেল্ট বাঁধা ছিল, তারা অতটা আঘাত পাননি।
স্টিভ্যান নামের আরেক যাত্রী বলেন, আহত ব্যক্তিরা হাত, মুখ ও পায়ে আঘাত পেয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৩০ জন। যাত্রীরা বেশ ভয়ংকর অনুভূতির মধ্য দিয়ে গেছেন।
স্টিভ্যান আরো বলেন, ‘ভেবেছিলাম, আমরা সেখানে মারা যাব। কিন্তু স্রষ্টাকে ধন্যবাদ, তেমনটা হয়নি।’
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
এমএ