দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলীয় মানগাফ শহরে শ্রমিকদের একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (১২ জুন) সকালের এ ঘটনায় নিহত সকলেই বিদেশি শ্রমিক। কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানিয়েছেন। এই অগ্নিকাণ্ডের জন্য বাড়ির মালিককে দুষছেন তিনি। খবর রয়টার্সের।
নিহতরা কোন দেশের নাগরিক সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো কিছু জানায়নি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তবে, দেশটিতে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন যেখানে আগুনে দগ্ধদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই রাষ্ট্রদূত লেখেন, একটি হাসপাতালে ৩০ জনের বেশি ভারতীয়কে ভর্তি করা হয়েছে। ওই হাসপাতালে অন্তত ৪৭ দগ্ধ চিকিৎসা নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
কুয়েতের আগুন নিয়ে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছেন। সেখানে বলা হয়, কুয়েতের আগুনে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালাসহ বেশ কয়েক রাজ্যের বাসিন্দা মারা গেছে। ভারতের একটি সংস্থা বলছে, নিহতদের মধ্যে ৪১ জন ভারতীয়, যার মধ্যে ১১ জন কেরেলার। তবে, বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।
এদিকে, দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী শেখ ফাহাদ ইউসুফ সৌদ আল-সাবাহ। তিনি বলেন, ‘এই দুর্ঘটনা আবাসন ব্যবসায়ীর লোভে ফল কি না তা দেখা হচ্ছে। ভবন নির্মাণে যদি কোনো অনিয়ম হয় তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভালো চাকরির আশায় উপসাগরীয় দেশটিতে ভিড় করে মানুষেরা। খরচ কমাতে স্বল্প বেতনে শ্রমিকেরা প্রায়শ জনাকীর্ণ ভবনগুলোতে থাকে। আর আগুন লাগা ভবনটিতে সেরকম শ্রমিকেরাই থাকতো। নিহতেরা কি ধরণের কাজ করতো তা প্রকাশ করেনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
ওই ভবনে বাস করা একজন মিসরীয় আগুন থেকে প্রাণে বেঁচেছেন। গাড়ি চালক হিসেবে কাজ করা ওই ব্যক্তি স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, নিচ তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। ভবনের ওপরের তলায় থাকারা এ জন্য ভবন থেকে বের হতে পারেনি। একইসঙ্গে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় গোটা ভবন।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আগুন কীভাবে লেগেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
এম