দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অরুণাচল প্রদেশে চীনের নাম পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ভারত চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের দুই ডজনেরও বেশি স্থানের নাম পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করছে। সেনাবাহিনীর তথ্য যুদ্ধ বিভাগ কর্তৃক নাম পরিবর্তনের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। চীন অধিকৃত ভূখণ্ডকে তারা জাংনান বা "দক্ষিণ তিব্বত" বলে।
স্থানগুলোর নতুন নামগুলি নেয়া জন্য ভারত ব্যাপক ঐতিহাসিক গবেষণা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত নিয়েছে যারা অনেকেই চীনের দেয়া নামের ব্যাপারে তীব্র আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন।
কলকাতায় অবস্থিত ব্রিটিশ-যুগের এশিয়াটিক সোসাইটির মতো শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় চীনা নামগুলিও অযৌক্তিকতা নিরূপণ করেছে।
নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় দফার প্রধানমন্ত্রিত্বের দায়িত্বগ্রহণের পরই চীন সরকারের ‘নামকরণ কৌশলের’ জবাব দিতে চলেছে ভারত।
নয়াদিল্লি সন্দেহ করে, অরুণাচল প্রদেশের স্থানগুলির নাম পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হল উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম প্রদেশের উপর বেইজিংয়ের আঞ্চলিক দাবিকে শক্তিশালী করা।
বেইজিং অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তন করার পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মার্চ মাসে চীন ১১টি আবাসিক এলাকা, ১২টি পর্বত, চারটি নদী, একটি হ্রদ, একটি পর্বত পাস এবং এক খণ্ড জমিসহ রাজ্যের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর ৩০টি স্থানের নাম পরিবর্তন করেছে।
এটি নিয়ে চতুর্থবারের মতো চীন একতরফাভাবে এই রাজ্যের স্থানগুলির নাম পরিবর্তন করেছে। বেইজিং ২০১৭ সালে অরুণাচল প্রদেশের ছয়টি স্থানের তথাকথিত প্রমিত নামের প্রথম তালিকা, ২০২১ সালে ১৫টি স্থানের দ্বিতীয় তালিকা এবং ২০২৩ সালে ১১টি স্থানের নামসহ তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করেছিলো।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এম