দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শিশুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হওয়ার একটি কালো দেশের তালিকা রয়েছে জাতিসংঘের। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হতে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। ইসরায়েলি কূটনৈতিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খবর আল-জাজিরার।
দীর্ঘ আট মাস ধরে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বর্বরতা চালাচ্ছে ইসরায়েল। তাদের হামলায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের কূটনৈতিক গিলাড এর্ডান শুক্রবার (৭ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, আমি জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি পেয়েছি। এটি আপত্তিজনক ও গুরুত্বর ভুল। আমাদের সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে নৈতিক। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
এর্ডানের মন্তব্যের জেরে গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শিশু ও সশস্ত্র সংঘাতের তালিকায় ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি তাদেরও জানানো হয়েছে। সশস্ত্র সংঘাতে শিশুদের প্রতি আইন লঙ্ঘনকারী দেশগুলোর তালিকাসংবলিত একটি প্রতিবেদন ১৪ জুন নিরাপত্তা পরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হবে। এর কয়েক দিন পর এ সিদ্ধান্তের কথা জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে। তালিকায় ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর নামও রয়েছে।
এর্ডানের মন্তব্যকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে ডুজারিক বলেন, তার ২৪ বছরের চাকরিজীবনে কোনো কূটনীতিককে এমন অপেশাদারি আচরণ করতে দেখেননি তিনি।
শিশু ও সশস্ত্র সংঘাতের তালিকায় অন্তর্ভুক্তের বিষয়ে আল-জাজিরা বলছে, শিশুদের হত্যা, নির্যাতনসহ স্কুল ও হাসপাতালে হামলার জন্য কালো তালিকায় যুক্ত করা হয়।
এদিকে, জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রিয়াদ মালিকি এক বিবৃতিতে বলেছেন, অনেক বিলম্বে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গাজায় কোন ধরনের বিপর্যয় চলছে, তা বিশ্ব এখন খালি চোখেই দেখছে। সেখানে গণহত্যা চালানো হচ্ছে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্যমতে, গত অক্টোবরের সাত তারিখ থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৩৬ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ হাজার ৫৭১ জনই শিশু।
এম