দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ২৯৩টি আসন পেয়ে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট সরকার গঠনের বৈধতা পেয়েছে। বিরোধী দলে থাকা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট পেয়েছে ২৩৪টি আসন। শনিবার (৮ জুন) রাত ৮টায় মোদির শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অন্তত চারটি প্রতিবেশী দেশ - বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল এবং মরিশাসের নেতারা ৮ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় নিশ্চিত করেছে যে, বুধবার (৫ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহের সঙ্গে ফোনালাপের সময় মোদি উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে তাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রানিল উইক্রেমেসিংহের পক্ষ থেকেও অংশগ্রহনের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি নূরেলাহি মিনা ঢাকায় সাংবাদিকদের বলেন, মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন।
শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির মিডিয়া বিভাগ এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন যে, মোদি তাদের ফোন কথোপকথনের সময় বিক্রমাসিংহেকে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যা তিনি গ্রহণ করেছেন।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর বিমসটেকের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মোদি। মোট ৮ হাজার ভিভিআইপি সেবারের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।
২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতা গ্রহণের সময় সার্কের সকল সদস্য রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মোদি। এমনকি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।
এম