দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অতিকার শত শত বেলুনে বায়ুবাহিত বর্জ্য সরবরাহের পরে উত্তর কোরিয়া এবার ঘোষণা দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্র্যাশ ভর্তি বেলুন পাঠানো বন্ধ করছে। রাষ্ট্রীয় মিডিয়া কেসিএনএ (KCNA) প্রচারিত এক বিবৃতিতে রবিবার (২ জুন) উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কিম কাং ইল বলেন, তার প্রতিবেশীকে ১৫ টন আবর্জনা পাঠানোর পর তারা "সীমান্তে ময়লা ফেলা বন্ধ করবে"।
রোববার দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ বলেছেন, সিউলকে বিরক্ত করতেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে পিয়ংইয়ং।
তিনি আরো বলেন, রাজধানীজুড়ে শনিবার রাত ৮টা থেকে রোববার সকাল ১০টা পর্যন্ত ময়লার ব্যাগ বহনকারী এসব বেলুন পাওয়া গেছে। ময়লার ব্যাগে সিগারেটের বাঁট, কাগজের বর্জ্য, কাপড় ও প্লাস্টিকের মতো আবর্জনা পাওয়া গেছে। বেলুনের নিচে এসব ময়লাভর্তি ব্যাগ বাঁধা ছিল। এরই মধ্যে দেশটির গিয়াংসাং ও গ্যাংওয়ান প্রদেশ এবং সিউলের কিছু অংশে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এসব বেলুনের সংস্পর্শে না আসতে জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে। বেলুন দেখা মাত্র পুলিশকে জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে।
সর্বশেষ পাঠানো বেলুন নিয়ে উত্তর কোরিয়া রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি উত্তর কোরিয়া। তবে এর আগেরবার ‘ময়লাভর্তি’ বেলুন পাঠানোর আগে দেশটির উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী দ্বিতীয় কিম ক্যাং বলেছিলেন, অচিরেই দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত এলাকা ও অভ্যন্তরে পরিত্যক্ত কাগজ ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপ পাঠানো হবে। তখন দক্ষিণ কোরিয়া বুঝবে, এসব পরিষ্কার করতে কতটা কষ্ট হয়।
সাদা রঙের এসব বেলুন এবং এগুলোর সঙ্গে বেঁধে রাখা প্লাস্টিকের ব্যাগ না ধরতে বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, স্বচ্ছ, সাদা বেলুনের ভেতরে টয়লেট পেপার, কালো মাটি, ব্যাটারিসহ অন্যান্য জিনিসপত্র রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী বেলুন পাঠানোর ঘটনাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে। পাশাপাশি উত্তর কোরিয়াকে এই ‘অমানবিক ও সংবেদনহীন কাজ’ অবিলম্বে বন্ধ করতে বলেছে।
১৯৫০-এর দশকের কোরিয়া যুদ্ধের পর থেকেই দুই কোরিয়া পাল্টাপাল্টি প্রোপ্যাগান্ডামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে একে অপরকে বেলুন পাঠিয়ে আসছে।
সূত্র: সিএনএন।
এম