দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পূর্বাঞ্চলীয় শহর আভদিভকা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী। সবশেষ কয়েক মাস ধরেই ইউক্রেনের প্রধান পূর্বাঞ্চলীয় শহরটি অনেক অংশ রুশ বাহিনীর দখলে ছিল। খবর বিবিসির।
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান অলেক্সান্ডার সিরস্কি বলেন, অবরোধ এড়াতে ও সৈন্যদের জীবন রক্ষার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহারকৃত সৈন্যদের অন্যত্র সংযুক্ত করা হবে।
ইউক্রেনের উপ-সেনাপ্রধান বলেন, রাশিয়ানদের একটি বিশাল আর্টিলারি সুবিধা ছিল। তারা নিজেদের সৈন্যদের মরদেহের ওপর ভর করে অগ্রসর হচ্ছে।
দোনেৎস্ক শহরের পার্শ্ববর্তী শহর আভদিভকা। দোনেৎস্কের প্রবেশদ্বার বলা হয় শহরটিকে। ২০১৪ সাল থেকে দোনেৎস্কের নিয়ন্ত্রণ রেখেছে রুশপন্থীরা। যুদ্ধের জেরে শহরটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আক্রমণ চালায় রাশিয়া। এরপরেই দুদেশের মধ্যে যুদ্ধ বাধে। যুদ্ধের দ্বিতীয় বছরে অর্থাৎ, ২০২৩ সালের মে মাসে রুশ সৈন্যরা বাখমুত দখল করে। এরপর থেকে আভদিভকা রুশ সৈন্যদের অন্যতম বড় জয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক পোস্টে অলেক্সান্ডার সিরস্কি লেখেন, ‘পরিস্থিতি ওপর ভিত্তি করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের সৈন্যরা মর্যাদার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। রুশ বাহিনীকে ধ্বংসে তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে। শত্রুবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে পেরেছে আমাদের বাহিনী।’
আভদিভকা রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে এমন শঙ্কার কথা গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি। ওই সময় তিনি বলেন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মতো ইউক্রেনের কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ নেই। পক্ষান্তরে হামলার জন্য রাশিয়া একের পর এক বাহিনী পাঠাচ্ছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সিনেটে ৯ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের বৈদেশিক সহায়তা প্যাকেজ পাস হয়েছে। ওই প্যাকেজের আওতায় ছয় হাজার ডলার পাবে ইউক্রেনীয়রা। অস্ত্রের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে ইউক্রেন। রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের অস্ত্রের প্রয়োজন।
এম