দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]
ভারতের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই চীনের তৈরি ৪০টি অত্যাধুনিক ফাইটার জেট জে-৩৫এ যুদ্ধবিমান কিনছে পাকিস্তান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনের সবচেয়ে উন্নত এই সামরিক যুদ্ধবিমান একবার পাকিস্তানের হাতে এসে পড়লে দক্ষিণ এশিয়ার শক্তি ভারসাম্য পুরোপুরি পাল্টে যাবে। এমনকি আকাশ প্রতিরক্ষায় চিরশত্রু ভারতের বিমান বাহিনীকে ছাড়িয়ে যাবে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী।
দক্ষিণ এশিয়ার চির শত্রু দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান। বরাবরই সামরিক সক্ষমতায় একে অপরের চেয়ে এগিয়ে থাকতে চলে প্রতিযোগিতা। মূল্যস্ফিতি চরমে থাকলেও সামরিক খাতে ব্যয়ের বাড়িয়ে সবসময় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনামে থাকে ইসলামাবাদ। এরমধ্যেই দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সামরিক সক্ষমতায় সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে ভারতের আরেক শত্রু চীনের কাছ থেকে ৪০টি অত্যাধুনিক স্টিলথ যুদ্ধবিমান কিনছে পাকিস্তান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনের তথ্য মতে, চীনের তৈরি এই যুদ্ধবিমানটি হলো দ্বিতীয় পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট জে-৩৫এ। বিশ্বের পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের পর চীনের কাছেই পঞ্চম প্রজন্মের এ যুদ্ধ বিমান রয়েছে। দেশটির পিপলস লিবারেশন আর্মি পিএলএ এর দাবি, জে ৩৫এ একটি মাঝারি আকারের স্টিলথ যুদ্ধবিমানটি একাধিক ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। এটি দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের লকহিড মার্টিন কোম্পানির তৈরি এফ-৩৫-এর মতো হলেও জে-৩৫এ ইঞ্জিন একটি বেশি।
গণমাধ্যমের তথ্য বলছে, পাকিস্তানের বিমান বাহিনী ইতোমধ্যে এই যুদ্ধবিমান কেনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে, এর আগেই চলতি বছরের জুলাইয়ে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর পাইলটরা আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের যুদ্ধবিমান জে-৩৫এ চালানোর প্রশিক্ষণ শুরু করেছেন। শি প্রশাসনের সঙ্গে ইসলামাবাদের এ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে চীনের বাইরে পাকিস্তানই প্রথম ও একমাত্র দেশ হবে যাদের কাছে যুদ্ধবিমান জে-৩৫এ এর একটি স্কোয়াড্রন থাকবে। চীন দুই বছরের কম সময়ে ৪০টি স্টিলথ ফাইটার জেট সরবরাহ করবে। এরমধ্যে দিয়ে শি প্রশাসনও সবচেয়ে উন্নত সামরিক যুদ্ধবিমান রপ্তানির প্রথম নজিরও স্থাপিত হবে।
এদিকে, বিশ্লষকরা বলছেন, সামরিক সক্ষমতায় পাকিস্তানের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মোটেও ভালো চোখে দেখছে না মোদি প্রশাসন। এমনকি দিন দিন পাকিস্তান যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রেরও। ইসলামাবাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে পারে। এটি ভারতের জন্য আতঙ্কের কারণ হিসেবেও দেখছেন কেউকেউ। এ বিষয়ে মন্তব্য না করলেও বিশ্লেষকদের মতে, এরমধ্যে দিয়ে ভারতের আঞ্চলিক প্রধান দুই শত্রুর ঘনিষ্ঠতা আরো বাড়বে।
কে