দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তৃণমূল কংগ্রেসের ‘অগ্নিকন্যা’ খ্যাত নেত্রী মহুয়া মৈত্রকে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ইথিকস কমিটির প্রতিবেদনের পর শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) তাকে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়। খবর এনডিটিভি’র।
অভিযোগ উঠেছে, ব্যবসায়ী দর্শন হীরানান্দানীর কাছ থেকে দুই কোটি রুপি নগদ অর্থসহ ‘বিলাসবহুল পুরস্কার সামগ্রী’ ঘুষ দিয়েছেন মহুয়া। ৪৯ বছর বয়সী এই রাজনীতিক যেন পার্লামেন্টে নরেন্দ্র মোদি সরকারকে সমালোচনা করে প্রশ্ন করেন, সেজন্য নাকি এই অর্থ দেওয়া হয়েছিল।
এমনকি অভিযোগ উঠেছে, পার্লামেন্টারি ওয়েবসাইটের লগ-ইন পাসওয়ার্ডও হীরানান্দানীকে দিয়েছেন মহুয়া, যেন তিনি নিজেই প্রশ্ন পোস্ট করতে পারেন। মোদি সরকারের কঠোর সমালোচক মহুয়া ঘুষ নেওয়ার কথা অস্বীকার করলেও লগইনের বিস্তারিত শেয়ার করার কথা মেনে নিয়েছেন।
এদিন উত্তপ্ত আলোচনা ও কণ্ঠ ভোটের পর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, মহুয়া মৈত্র এমপি অনৈতিক এবং অশালীন কাজ করেছেন, কমিটির (ইথিকস কমিটি) এমন উপসংহার মেনে নিয়েছে লোকসভা। তাই এমপি হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়াটা তার জন্য যথার্থ নয়।
এর আগে ইথিকস কমিটি প্রায় ৫০০ পৃষ্ঠার রিপোর্ট পেশ করে লোকসভায়। এরপর তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধীদের সঙ্গে বিজেপির এমপিদের তীব্র কথার লড়াই হয়। কংগ্রেস ও তৃণমূল ওই রিপোর্ট পড়ে মহুয়ার জন্য লড়াইয়ে আরও সময় চেয়েছিল। মহুয়া যেন নিজের কথা বলতে পারে, সেই অনুমতিও চেয়েছিল।
কিন্তু তাদের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বিড়লা বলেন, ২০০৫ সালে একই ধরনের বিতর্কের মুখে বিজেপির ৬ এমপিসহ ১০ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তৎকালীন স্পিকার সোমনাথ চ্যাটার্জি বলেছিলেন, রিপোর্ট পেশ করার পর এই এমপিরা লোকসভায় কথা বলার অধিকার হারিয়েছেন।
এইউ