দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভাড়াটে যোদ্ধা দলের (ওয়াগনার গ্রুপ) প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, এ কথা আমাদের সবার জানা। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দুর্ঘটনায় পুতিনের হাত থাকতে পারে। তবে ক্রেমলিন বিষয়টি মানছে না।
বুধবার (৩০ আগস্ট) ক্রেমলিন নতুন কথা বলেছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, প্রিগোজিনের বিমান দুর্ঘটনা ইচ্ছাপূর্বক ঘটানো হতে পারে সেটা তারা আমলে নিয়ে এগোচ্ছেন।
দিমিত্রি পেসকভ বলেন, এটা স্পষ্ট যে বিভিন্ন ভার্সন আমরা বিবেচনা করছি। এর সঙ্গে ওই ভাসর্নটিও রয়েছে, আপনারা জানেন, আমরা কোনটার কথা বলছি। এটা বলা যায়-‘ইচ্ছাকৃত নির্মমতা’।
প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, পুতিনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন প্রিগোশিন। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটিতে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করছিল ভাগনার সেনারা। তবে রুশ সামরিক নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষ ছিল প্রিগোশিনের। এ অসন্তোষের প্রকাশ ঘটে গত ২৩ জুন। বিদ্রোহ করে বসেন প্রিগোশিন। রাশিয়ার সামরিক নেতৃত্বকে উৎখাতের জন্য ইউক্রেন সীমান্ত থেকে মস্কোর দিকে অভিযান শুরু করেন তিনি। পথে কয়েকটি শহর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন ভাগনারের যোদ্ধারা। ভাগনারের নিয়ন্ত্রণে যায় গুরুত্বপূর্ণ একটি রুশ সেনাঘাঁটি।
প্রিগোশিনের বিদ্রোহের জেরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন। পরবর্তী সময়ে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় অভিযান বন্ধের ঘোষণা দেন প্রিগোশিন।
সমঝোতায় বলা হয়, প্রিগোশিনসহ ভাগনার সেনারা রাশিয়া ছেড়ে বেলারুশে চলে যাবেন। বিদ্রোহের পর ভাগনার সেনারা বেলারুশে চলে যান। তবে ভাগনার প্রধান প্রিগোশিনের প্রকৃত অবস্থান নিয়ে জল্পনা-কল্পনা রয়ে যায়।
সূত্র: গার্ডিয়ান
জেডএ