দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আগামী ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভ সমাবেশ ঘিরে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এদিন রাজধানীতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) প্রায় ২৩ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীজুড়ে সিএপিএফের ২২১ কোম্পানি সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে ভারতের ইউনিয়ন হোম মিনিস্ট্রি। এর বাইরে দিল্লি পুলিশের অধীনে আরও ১১০ কোম্পানি সিএপিএফ সদস্য থাকবে।
বিক্ষোভের সময় দিল্লি পুলিশের আরও ২০ হাজার অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দিল্লির সীমান্তজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নজরদারি।
জানা গেছে, জুলাইয়ে সিজেপির যন্তর-মন্তরের বিক্ষোভের সময় প্রায় ১৫০ কোম্পানি সিএপিএফ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। এর আগে কৃষক আন্দোলনের সময় মোতায়েন করা হয়েছিল ৯৩ কোম্পানি। সেই তুলনায় ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভে জুলাইয়ের দ্বিগুণের বেশি এবং কৃষক আন্দোলনের প্রায় চারগুণ সিএপিএফ সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিক্ষোভের পরিস্থিতি বিবেচনায় নয়াদিল্লির সব মেট্রোস্টেশন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন মার্কেট বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলেও জানা গেছে।
ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে কয়েক স্তরের ব্যারিকেডের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো রাজধানীজুড়ে ক্যামেরার মাধ্যমে ফেস রেকগনিশন নজরদারি চালু থাকবে। জরুরি পরিস্থিতিতে আদেশ জারির ক্ষমতাও দেওয়া থাকবে ম্যাজিস্ট্রেটদের হাতে।
বিক্ষোভের সময় পূর্ণ সতর্ক অবস্থানে থাকার জন্য উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানাসহ পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে নতুন বিক্ষোভের ডাক দেন। যন্তর-মন্তরে শুরু হতে যাওয়া এই বিক্ষোভে যেন কারও নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সেদিকে নজর রাখা হবে বলে তিনি জানান। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
কেএম