দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আগামী ৭ নভেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক সরকারি ঘোষণায় পার্লামেন্ট বিলুপ্তির বিষয়টি জানানো হয়। দেশটির ৫৪তম পার্লামেন্টের শেষ অধিবেশন বসেছিল গত ২৩ সেপ্টেম্বর।
আগামী নির্বাচনকে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডানপন্থী জোট এবং লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন বামঘেঁষা জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সর্বশেষ ওয়ান নিউজ-ভেরিয়ান জনমত জরিপে দেখা গেছে, লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সম্ভাব্য বামঘেঁষা জোট ৬৫টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল পার্টি, অ্যাক্ট নিউজিল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড ফার্স্টের জোট পেতে পারে ৫৯টি আসন।
জরিপে লেবার ও ন্যাশনাল পার্টি উভয়ের সমর্থন ২৮ শতাংশ করে। গ্রিনস পার্টির সমর্থন ১৬ শতাংশ, যা তাদের ১৯টি আসন এনে দিতে পারে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ১২০ আসনের পার্লামেন্টে কোনো দল জাতীয়ভাবে পাওয়া ভোটের অনুপাতে প্রাপ্য আসনের চেয়ে বেশি নির্বাচনী আসন জিতে গেলে পার্লামেন্টে অতিরিক্ত আসন যুক্ত হতে পারে।
আগামী ২১ অক্টোবর থেকে বিদেশে থাকা ভোটারদের ভোট দেওয়া শুরু হবে। আর ২৬ অক্টোবর থেকে আগাম ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক দলগুলো জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও জনসেবাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
নিউজিল্যান্ডে সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে। দেশটির পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ মেয়াদ তিন বছর।
সূত্র- টিআরটি ওয়ার্ল্ড
যে আই