দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরুর সময় কয়েক ডজন প্রতিনিধি অধিবেশনকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ ঘটনা ঘটে।
নেতানিয়াহু বক্তব্য শুরু করার সময় একের পর এক প্রতিনিধি হল থেকে বেরিয়ে যেতে থাকেন। এ সময় তার সমর্থকেরা তাকে সমর্থন জানিয়ে স্লোগান দেন। পরে নেতানিয়াহু বেরিয়ে যাওয়া প্রতিনিধিদের ‘ভুয়া মানবাধিকারকর্মী’ বলে মন্তব্য করেন এবং যারা এখনো হলের ভেতরে আছেন, তাদেরও চলে যেতে বলেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইরানের স্বৈরশাসকেরা যখন নিরস্ত্র ইরানি বেসামরিক মানুষকে হত্যা ও পঙ্গু করছিল, তখন আপনারা কোথায় ছিলেন?’ এরপর তিনি বলেন, ‘যদি আরও কোনো নৈতিক কাপুরুষ এই হলে থেকে থাকেন, তাহলে দয়া করে চলে যান।’
প্রতিনিধিদের ওয়াকআউটের পূর্ণাঙ্গ ও নিশ্চিত তালিকা এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব, সুদান, তিউনিসিয়া, উজবেকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আলজেরিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, মন্টেনেগ্রো ও কিরগিজস্তানসহ কয়েকটি দেশের আসন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় খালি ছিল। জর্ডান, লিবিয়া, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও মরিশাসের আসনও খালি দেখা যায়। তবে এসব দেশের সব প্রতিনিধি যে একযোগে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, তা নিশ্চিত নয়।
নেতানিয়াহুর ভাষণে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিকেও আক্রমণ করা হয়। মামদানি ইসরায়েলের গাজা ও পশ্চিম তীরের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে আসছেন। ভাষণের আগে তিনি একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে তাকে গ্রেসি ম্যানশনে একটি জলপাইগাছ লাগাতে এবং একটি ফিলিস্তিনি পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবারে অংশ নিতে দেখা যায়।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘মি. মামদানি, আপনি আমাকে এখানে আসা ঠেকাতে চেয়েছিলেন। আপনি আমাকে নীরব করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আপনি আমাকে নীরব করতে পারবেন না, সত্যকেও নীরব করতে পারবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল গণহত্যা করেনি। ইসরায়েল গণহত্যা ঠেকিয়েছে।’
মামদানি ও অন্যান্য সমালোচকদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু আরও বলেন, ইসরায়েল ও ইহুদিদের নিয়ে তাদের ছড়ানো ‘মিথ্যার’ বাস্তব পরিণতি রয়েছে।
/অ