দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০৩০ সালের নির্ধারিত সময়সীমার অনেক আগেই মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
পূর্ব তিমুরের রাজধানী দিলিতে ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে এ অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের হাতে অভিনন্দনপত্র তুলে দেন ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।
অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এ অর্জন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ সাফল্যের পেছনে সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এ ছাড়া দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে প্রসবসেবা ও ধাত্রীসেবা নিশ্চিত করা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সহযোগিতাও এ সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে বলে উল্লেখ করেছে ডব্লিউএইচও।
ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় জানায়, গত ১০ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান ধরে রাখার জন্যও বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। শক্তিশালী জাতীয় অঙ্গীকার, উচ্চমানের টিকাদান সেবা এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এ অর্জন গত এক দশকে ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের আঞ্চলিক অর্জন ধরে রাখার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
বাংলাদেশ সরকারের এ অর্জন, বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়াকে অত্যন্ত সম্মানের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে ডব্লিউএইচও। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য এসব জনস্বাস্থ্য সাফল্যের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানানো হয়।
এমএস/