দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশে বর্তমানে হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় সবাই টিকাবিহীন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনতে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করবে সরকার। ইনটেনসিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ ভ্যাকসিনেশন নামের এ কর্মসূচি চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী যেসব শিশু চলমান হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে টিকা পায়নি বা বাদ পড়েছে, তাদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি এ সময়ে ৬ মাস বয়সে পৌঁছানো এবং টিকা গ্রহণের উপযুক্ত নতুন শিশুদেরও কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি ও অন্যান্য জটিলতার কারণে নিউমোনিয়াসহ গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিচ্ছে। টিকা নেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে।
ডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উভয় রোগের চিকিৎসায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। স্যালাইনেরও কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দিতে মোবাইল হাসপাতাল ও সেনাবাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগীর চিকিৎসা উপজেলা পর্যায়েই দেওয়া সম্ভব। কিন্তু অনেক রোগী সরাসরি তৃতীয় স্তরের বা টারশিয়ারি পর্যায়ের হাসপাতালে চলে আসায় এসব হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশেষ এ টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪৩ লাখ ডোজ এমআর টিকা দেশে এসেছে। বর্তমানে দেশে মোট ৫৮ লাখ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে।
এমএস/