দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে যশ অভিনীত ‘টক্সিক’। সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আলোচনার মধ্যেই অভিনেত্রী রুক্মিণী বসন্তের একটি ইঙ্গিতপূর্ণ ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে সমালোচনা। তবে সমালোচনার জবাবে রুক্মিণীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তার ভক্তরা।
‘টক্সিক’ সিনেমায় রুক্মিণী অভিনয় করেছেন মেলিসা চরিত্রে। অন্য নারী চরিত্রগুলোর তুলনায় সিনেমার গল্পে তার উপস্থিতি বেশ পরে। শুরুতে যশের চরিত্র রায়াকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে দেখা করেন মেলিসা। পরে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সিনেমায় তাদের ঘনিষ্ঠতা সরাসরি দেখানো হয়নি, বরং ইঙ্গিতের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। গল্পের পরবর্তী অংশে দেখা যায়, রায়া ও মেলিসার একটি সন্তানও রয়েছে।
সিনেমাটি মুক্তির পর এই বিষয়টি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রুক্মিণীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন কিছু ব্যবহারকারী। কেউ লিখেছেন, ‘রুক্মিণী, তোমার কাছ থেকে এটা আশা করিনি।’ আবার কেউ তার ব্যক্তিত্ব ও পর্দায় চরিত্রের উপস্থাপন নিয়ে মন্তব্য করেন।
একটি পোস্টে রুক্মিণীকে ‘স্ত্রী হওয়ার উপযুক্ত’ ধরনের নারী হিসেবে উল্লেখ করে তার চরিত্র নিয়ে মন্তব্য করা হয়। আরেক ব্যবহারকারী লেখেন, রুক্মিণীর উপস্থিতি ও ‘পবিত্রতার’ সঙ্গে এমন চরিত্রের বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না।
তবে এসব মন্তব্যের পর রুক্মিণীর সমর্থনে সরব হন তার ভক্তরা। এক ভক্ত দাবি করেন, ‘টক্সিক’-এ রুক্মিণীর কোনো চুম্বন বা সরাসরি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নেই। তাই তাকে নিয়ে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করা হচ্ছে বলে সমালোচকদের জবাব দেন তিনি।
‘স্ত্রী হওয়ার উপযুক্ত’ মন্তব্যটিরও সমালোচনা করেন আরেক ব্যবহারকারী। তার প্রশ্ন, একজন নারীকে কি শুধু ‘পবিত্র’, সুন্দর ও বাধ্য হিসেবে দেখলেই তাকে ভালো স্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে?
আরেক ব্যবহারকারী রুক্মিণীর সমালোচনার জবাবে সংক্ষেপে লেখেন, ‘এটি কেবল একটি চরিত্র।’
রুক্মিণীর চরিত্র নিয়ে চলা বিতর্ককে ব্যঙ্গ করেও মন্তব্য করেন কেউ কেউ। একজন লেখেন, রুক্মিণী ‘অপবিত্র’ হওয়ার কারণে এসব পুরুষকে হতাশ করেছেন—এমন বক্তব্যকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেন তিনি।
আরেক ব্যবহারকারী ইনস্টাগ্রামের মন্তব্যগুলো দেখার পরামর্শ দিয়ে এ ধরনের আচরণকে ‘বিকৃত মানসিকতার প্রকাশ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এভাবে সিনেমার একটি ইঙ্গিতপূর্ণ ঘনিষ্ঠ দৃশ্যকে কেন্দ্র করে রুক্মিণীকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হলেও একই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সমর্থনে পাল্টা অবস্থান নেন ভক্তদের একটি অংশ।
/অ