দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে তা মঞ্জুর করেন আদালত। জামিনের পর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে মামলাটি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিশা। অভিযোগকারীর স্বামীর ক্ষমতা ব্যবহার করে তাকে হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিশা সাংবাদিকদের বলেন, ‘যিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন, তিনিও একজন নারী। তার নিজেরও একতা মেয়ে আছে। এখন স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে। সে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়েছে। সেই সংক্রান্ত অনেক বিষয়ই আমার কাছে আছে, যা আমি সময়মতো প্রকাশ্যে আনব।’
একটি শাড়ি নেওয়ার পর তার মূল্য পরিশোধ না করায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। শাড়ি প্রসঙ্গ টেনে তিশা বলেন, ‘মাত্র ২৭ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য বলা হচ্ছে আমি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমি ১৫ বছর ধরে আমি সততার সঙ্গে বিনোদন জগতে কাজ করছি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে একটা শাড়ির জন্য আমাকে আদালতে দাঁড়াতে হবে, এটা আমার বা কোনো শিল্পীর জন্যই কাম্য হতে পারে না।’
অভিযোগকারীর প্রতি ইঙ্গিত করে তিশা আরও বলেন, ‘তারও তো একটা ছোট মেয়ে আছে, একটা ব্যক্তিগত জীবন রয়েছে। উনি নিজেও একজন নারী। সেই জায়গা থেকে আরেকজন নারীকে এভাবে হয়রানি করা কোনোভাবেই মানা যায় না। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার পাব বলেই বিশ্বাস করি।’
প্রসঙ্গত, মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর ‘অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশন’ প্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম ঢাকার আদালতে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশন’ প্রতিষ্ঠান থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়েছিলেন তানজিন তিশা। ওই শাড়িটির প্রচারণা করবেন এবং এর মূল্য পরিশোধ করবেন বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে শাড়িটির মূল্য পরিশোধ না করে তানজিন তিশা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে।
/অ