দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আপস মীমাংসা করেছেন বাদী মরিয়ম খাতুনের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। কারাগারে থাকা নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম জামিন পেলে কোনো আপত্তি নেই বলে আদালতকে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে হাজির হয়ে আসামিদের পক্ষে হলফনামা দেন মরিয়মের বাবা। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন।
ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী ও আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আইনজীবী মাহবুবুর রহমান জানান, বাদী আপস করে হলফনামা দিয়েছেন। তিনি বলেন, কারাগারে থাকা গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল আপসের শর্তে। শুনানিতে উপস্থিত হয়ে বাদী জানিয়েছেন, দুই আসামিকে জামিন দিলে তার কোনো আপত্তি নেই। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে আদেশ দেননি।
এর আগে, দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গত সোমবার গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই সময় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে নিয়ে শয়নকক্ষে থাকতেন। আর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায় মাঝে মাঝে রাত কাটাতে হতো বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশ আদালতকে আরও জানিয়েছিল, মরিয়ম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন। পরে নজরুল ইসলাম ও মাকছুদাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুই দফা রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এমএম/