দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বরেণ্য লোকশিল্পী কুদ্দুস বয়াতীর পারিবারিক আলোচনার একটি অডিও রেকর্ড গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিল্পী নিজেই।
শনিবার (৯ মে) বিকেলে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রাজিবপুর গ্রামের বাড়িতে গেলে এ নিয়ে বিস্তারিত কথা হয় লোকশিল্পী কুদ্দুস বয়াতীর সঙ্গে। এ সময় তিনি দেশবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
কুদ্দুস বয়াতী আক্ষেপ করে বলেন, গত দুদিন আগে আমি আমার ঘরে বসে পারিবারিক আলোচনা করেছিলাম। তখন আমাদের নিজের লোকজন উপস্থিত ছিল। আমি আমার সন্তানদের শাসন করতে গিয়ে খোলামেলা অনেক কথাই বলেছি। কিন্তু আমার কথাগুলো যে রেকর্ড করবে-সেটা আমি জানতাম না। কে বা কারা তখন আমার কথাগুলো রেকর্ড করে এবং তা গণ্যমাধ্যমে প্রকাশ করে। কারা রেকর্ড করেছে এবং কোথায় প্রকাশ করেছে- তা আমি এখনও জানি না। তবে আমার অনুমতি না নিয়ে এ কাজটা করা ঠিক হয়নি।
দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি জানি, দেশের আঠারো থেকে উনিশ কোটি মানুষ সবাই আমাকে পছন্দ করে। আমার ভক্ত। আমার কিছু হলে সবাই আমার সাথে থাকবে এটা আমি জানি। কারণ, আমার লেখাপড়া নাই তো। তবে আমি লেখাপড়া শিখাইছি। আমি দেশের জন্য কাজ করি এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করি।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের জন্য আজ আমি কুদ্দুস বয়াতী। কুদ্দুইসা থাইক্যা কুদ্দুস বয়াতী হতে পেরেছি। তাই আমাকে যেন বিকৃত না করা হয় এবং আমার মানসম্মান নিয়ে যেন টানাটানি না করা হয়-বিষয়টা গুরুত্বের সাথে দেখতে সকল সাংবাদিকের প্রতি অনুরোধ জানান।
নিজের সন্তান ও সম্পদের বিষয়ে কুদ্দুস বয়াতী বলেন, আমি এক টাকা থেকে শুরু করে বহু চড়াই উৎরাই পার হয়ে আজ এই পর্যন্ত এসেছি। ঢাকায় বাড়ি করেছি। গ্রামে জায়গা জমি কিনেছি এবং বাড়ি করেছি। যা আছে সবই তো আমার। সন্তানরা আমাকে বের করে দিবে কেন? তারা তো এগুলো করেনি।
তিনি আরো বলেন, প্রত্যেকটা পরিবারেই কষ্ট থাকে। আমার পরিবারেও আছে। এগুলো আমি প্রায়ই আমি পারিবারিকভাবে এবং একান্ত নিজের মানুষ যারা আছে তাদের সঙ্গে আলোচনা করি। কিন্তু কেউ যদি পারিবারিক আলোচনায় বলা কথাগুলো অনুমতি ছাড়া রেকর্ড করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করে দেয় তাহলে এটা তো এটা অন্যায়।
কে