দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ঐতিহাসিক এই জয়ে পদ্মশিবিরকে আগাম অভিনন্দন জানিয়েছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা ও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ দেব। তবে এই শুভেচ্ছাবার্তার আড়ালে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান অস্থিরতা নিয়ে নতুন সরকারকে কড়া বার্তা দিতেও ভোলেননি এই তারকা।
গত এক মাস ধরে যিনি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করেছেন। কোচবিহার টু কাকদ্বীপ রীতিমতো দাপিয়ে বেরিয়েছেন। দলের ফলাফল যা-ই হোক, জনগণের রায়কে মাথা পেতে নিয়ে দেব সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘জনতার রায়ে বাংলায় নতুন সরকার গঠনের জন্য বিজেপিকে অগ্রিম অভিনন্দন। আমি মনে-প্রাণে আশা করি, সরকার আমাদের রাজ্যের অগ্রগতি, শান্তি ও উন্নয়নের জন্য কাজ করবে। এবং জনগণের কথা যেন শোনা হয়, এমনটা নিশ্চিত করবে।’
তবে দেবের এই পোস্টের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল টলিউড ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরেই টালিগঞ্জের ‘ব্যান কালচার’ বা নিষেধাজ্ঞার সংস্কৃতি নিয়ে সোচ্চার তিনি। ফেডারেশনের নানা সিদ্ধান্তে বিভিন্ন সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা।
নতুন সরকারের কাছে ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে আন্তরিক অনুরোধ জানিয়ে দেব লেখেন, ‘সাধারণ নাগরিক ও চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত একজন হিসেবে আমি নতুন সরকারকে আন্তরিক ভাবে অনুরোধ করব, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এই নিষেধাজ্ঞা ও বিভাজনের সংস্কৃতি ভুলে যেন ঐক্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়।’
শৈল্পিক স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘চলচ্চিত্র বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরিচয়। এর বিকাশ সম্ভব একমাত্র পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান ও সম্মিলিত অগ্রগতির মাধ্যমেই। আমি চাই নতুন সরকার যেন শৈল্পিক স্বাধীনতা বজায় রাখে।’
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’ বাস্তবায়নের ব্যাপারে সাংসদ হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন দেব। নতুন সরকারের কাছে এই প্রকল্প নিয়ে আশাবাদী তিনি। দেব লেখেন, ‘আমি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান সম্পন্ন করার ক্ষেত্রেও নতুন সরকারের সমর্থন ও সহযোগিতা আশা করব। যা ঘাটালের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। রাজনীতির ঊর্ধ্বে যা মানুষের জীবন রক্ষা, জীবিকা সুরক্ষিত করা এবং ঘাটালের মানুষকে তাঁদের প্রাপ্য অধিকার দেওয়ার বিষয়।’
কেএম