দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোট ও এআইএডিএমকে-নেতৃত্বাধীন এনডিএ যখন আসন্ন তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক সমীকরণ গড়তে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়ই স্পষ্ট বার্তা দিলেন তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)-এর সভাপতি ও দক্ষিণী সিনেমার অভিনেতা থালাপাতি বিজয়।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) তামিলনাড়ুর মামল্লাপুরমে দলীয় বৈঠকে তিনি ঘোষণা করেন, কোনো জোটে না গিয়ে তার দল এককভাবেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত। খবর দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
বিজয় অভিযোগ করেন, বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে রাজ্যের দুই প্রধান দল। তার ভাষায়, এআইএডিএমকে প্রকাশ্যেই আত্মসমর্পণ করেছে, আর ডিএমকে তা করছে গোপনে।
তিনি বলেন, টিভিকে একটি আত্মনির্ভরশীল ও শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি, যা একাই লড়াই করে জয়ের ক্ষমতা রাখে।
সিবিআই জেরা, জনা নায়গান সেন্সর বিতর্ক ও করুর পদপিষ্টের ঘটনার প্রসঙ্গ পরোক্ষভাবে তুলে ধরে বিজয় বলেন, তিনি কোনও চাপের কাছে মাথা নত করবেন না। ‘আপনারা কি সত্যিই ভাবেন আমি চাপের মুখে ভেঙে পড়ব? সেটা কখনও হবে না,’—দৃঢ় কণ্ঠে বলেন তিনি।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকে-কে আক্রমণ করে বিজয় বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত ও ধ্বংসাত্মক শক্তির হাতে তামিলনাড়ুর শাসন তিনি মেনে নেবেন না।
তিনি জোর দিয়ে জানান, রাজনীতিতে বা ক্ষমতায় এসে কখনও দুর্নীতির সঙ্গে আপস করবেন না। তার মতে, মুখোশ ঢাকতে শাসক দল ঝাঁ-চকচকে প্রকল্পের ঘোষণা দিচ্ছে, কিন্তু মানুষ সব বুঝতে পারছে।
প্রায় ২.৫ কোটি রেশন কার্ডধারী মানুষের কথা উল্লেখ করে বিজয় বলেন, দল-মত নির্বিশেষে তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের ঘরের একজন হয়ে থাকতে চান।
দলীয় কর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটারদের নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে হুইসেল প্রতীকে ভোট নিশ্চিত করতে হবে।
বিজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক অবস্থান বদলে হতাশ হয়ে পড়া ভোটাররা এখন আশার চোখে টিভিকে-র দিকে তাকিয়ে আছেন।
‘মানুষ যখন আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখে, তখন দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব,’ বলেন তিনি।
সমাবেশে সদ্য বরাদ্দপ্রাপ্ত হুইসেল প্রতীক নেড়ে কর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। বিজয় বলেন, হুইসেল শুধু প্রতীক নয়, এটি বিজয়েরই চিহ্ন।
তার এই প্রথম জনসভা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে—চাপের মুখে নত না হয়ে একাই লড়াইয়ে নামতে কতটা প্রস্তুত থালাপাতি বিজয়, তারই ইঙ্গিত মিলল মামল্লাপুরমের মঞ্চ থেকে।
এবি/