দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অস্ট্রিয়ার জনপ্রিয় বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার স্টেফানি পাইপার (৩১) নিখোঁজ থাকার পাঁচ দিন পর স্লোভেনিয়ার ঘন জঙ্গল থেকে স্যুটকেসভর্তি তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ড দুই দেশজুড়েই ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।
স্টাইরিয়ান স্টেট পুলিশের তথ্যমতে, গত ২৩ নভেম্বর রাতে একটি পার্টি থেকে ফেরার পর হঠাৎ নিখোঁজ হন স্টেফানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেকআপ, ফ্যাশন ও সংগীতবিষয়ক কনটেন্ট তৈরি করে তিনি ইউরোপজুড়ে পরিচিত ছিলেন।
পার্টি শেষে এক বন্ধুকে পাঠানো বার্তায় বাড়ি পৌঁছানোর কথা জানান স্টেফানি। কিছুক্ষণ পর আরেকটি বার্তায় তিনি লেখেন, সিঁড়িঘরে কেউ লুকিয়ে আছে বলে তার সন্দেহ হচ্ছে। এরপরই তার সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রতিবেশীদের বরাতে জানা যায়, সেদিন রাতেই স্টেফানির অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তীব্র ঝগড়ার শব্দ শোনা যায় এবং ভবনের ভেতরে দেখা যায় তার সাবেক প্রেমিক পিটার এমকে।
পরদিনই পরিবারের সদস্য এবং সহকর্মীরা তাকে নিখোঁজের তালিকাভুক্ত করেন।
এর মাত্র এক দিন পর, ২৪ নভেম্বর স্লোভেনিয়ার অস্ট্রিয়া সীমান্তের কাছে একটি ক্যাসিনোর পার্কিং লটে আগুনে পুড়তে থাকা লাল গাড়ি উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। গাড়িটি ছিল পিটার এম.–এর। ঘটনাস্থলের কাছেই সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাকে আটক করা হয়। পরে অস্ট্রিয়া সরকারের অনুরোধে তাকে দেশটিতে হস্তান্তর করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের কয়েক ঘণ্টা পর পিটার এম. স্বীকার করেন যে পার্টির পর তুমুল ঝগড়ার একপর্যায়ে তিনি স্টেফানিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ স্যুটকেসে ভরে গাড়িতে করে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে স্লোভেনিয়ার মাজস্পার্ক এলাকার একটি জঙ্গলে পুঁতে রাখেন। ২৮ নভেম্বর ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্যুটকেসসহ তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্টাইরিয়ান কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রমাণ নষ্ট করা কিংবা তথ্য গোপনে সহায়তার অভিযোগে পিটার এম.–এর ভাই এবং সৎ বাবাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
যে আই