দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ তানজিন তিশা আবারও আলোচনায়। এবার কোনো নাটক বা ফটোশুট নয়, বরং একটি জামদানি শাড়িকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে উত্তপ্ত বিতর্ক।
এক নারী উদ্যোক্তা অভিযোগ তুলেছেন, তানজিন তিশা তার কাছ থেকে একটি শাড়ি নিয়েছিলেন প্রমোশনাল উদ্দেশ্যে। চুক্তি ছিল, অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাড়িটি পরে ছবি প্রকাশ করবেন। কিন্তু প্রায় ১০ মাস পার হয়ে গেলেও সেই ছবি প্রকাশ করেননি তিশা।
উদ্যোক্তার দাবি, তিশার প্রতি ভরসা রেখেই তিনি জামদানি শাড়িটি পাঠান। পরে একাধিকবার ফোন, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো উত্তর পাননি। এমনকি তিনি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ড ও স্ক্রিনশটও।
বিষয়টি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় আলোচনা–সমালোচনা। কেউ উদ্যোক্তার পক্ষে, কেউ বা তিশার। তবে চুপ না থেকে নিজেই মুখ খুলেছেন তানজিন তিশা।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, গিফট নিয়ে হয়ে গেলাম প্রতারক! হা হা! আর ফটোশুটই যদি করাতে চান, পারিশ্রমিক কই? আজব নারী উদ্যোক্তা! আপনার গিফটরে সালাম!”
তিশার এই প্রতিক্রিয়ায় আবারও সরব হয়ে উঠেছে নেটিজেনরা। কেউ কেউ বলছেন, গিফট মানেই বাধ্যবাধকতা নয়, আবার অনেকের মতে, জনপ্রিয় তারকা হিসেবে এমন আচরণ তার ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনকার ডিজিটাল যুগে তারকা ও ব্র্যান্ডের সম্পর্ক কেবল পণ্য গ্রহণে শেষ হয় না— এতে থাকে নৈতিক ও সামাজিক দায়ও। বিনিময়ে অর্থ না থাকলেও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যখন কোনো পণ্য ‘প্রমোট’ করেন বা প্রত্যাশা জাগান, তখন তা ব্র্যান্ডের বিশ্বাসযোগ্যতায় সরাসরি প্রভাব ফেলে।
অন্যদিকে, নারী উদ্যোক্তাদের অনেকেই বলছেন, ছোট ব্র্যান্ডের জন্য সেলিব্রেটিদের সামান্য একটি পোস্টই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাই এ ধরনের “গিফট বিতর্ক” তাদের জন্য নিরুৎসাহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বর্তমানে তানজিন তিশা ঢাকাই সিনেমার নতুন প্রকল্প ‘সোলজার’-এর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, যেখানে তার বিপরীতে আছেন শাকিব খান। তবে শাড়ির এই ‘গিফটগেট’-ই এখন তার ক্যারিয়ারের আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
জে আই