দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তামিল ইন্ডাস্ট্রির নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মোহিনী দীর্ঘদিন ধরেই পর্দায় নিয়মিত নন। সবশেষ ২০১১ সালে মালায়ালাম রাজনৈতিক অ্যাকশন থ্রিলার ‘কালেক্টর’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল তাকে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
সম্প্রতি দীর্ঘ ক্যারিয়ারের এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি। ১৯৯৪ সালের ‘কানমানি’ সিনেমায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী।
জানা গেছে, মোহিনী তখন ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটাচ্ছেন। নির্মাতা আরকে সেলভামনির ‘কানমানি’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। এটি রোমান্টিক ধরানার হলেও এর একটি দৃশ্য ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
সম্প্রতি আভল বিকাটানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহিনী জানিয়েছেন, নির্মাতা সেলভামনি পরিকল্পনা করেছিলেন একটি সাঁতারের পোশাকের দৃশ্য ধারণ করতে। কিন্তু এতে তিনি এতটাই অস্বস্তি বোধ করেছিলেন যে, একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং দৃশ্যটি করতে অসম্মতি জানান। দক্ষিণী এই তারকার এমন সিদ্ধান্তের কারণে কয়েক ঘণ্টা শুটিং বন্ধও ছিল।
মোহিনী বলেন, তখন আমি সাঁতারই জানতাম না। আবার অর্ধ-পোশাকে পুরুষ প্রশিক্ষকের সামনে কীভাবে শিখব? সেই সময় নারী প্রশিক্ষক পাওয়া যেত না বললেই চলে। এ কারণে ওই দৃশ্য করার কথা ভাবতেও পারিনি। পরে বাধ্য হয়েই সেটি করেছি।
একপর্যায়ে সিনেমার প্রযোজনা যেন বন্ধ হয়ে না যায়, সে জন্য দৃশ্যটি শেষ করেন তিনি। পরে পুনরায় যখন একই ধরনের দৃশ্যের শুটিং করার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়, তখন স্পষ্টতভাবেই না করে দেন অভিনেত্রী মোহিনী।
এ তারকার ভাষ্যমতে―আমি বলেছিলাম, এটি তোমাদের সমস্যা, আমার নয়। আগে যেমন জোর করে করিয়েছিল, তেমনটি আর সম্ভব হবে না। তার দাবি, কানমানি’ই একমাত্র সিনেমা, যেখানে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত গ্ল্যামারসরূপে পর্দায় নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন তিনি।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘চিন্না মরুমাগাল’, ‘আদিত্য ৩৬৯’, ‘হিটলার’, ‘ইনাথে চিন্তা বিষয়ম’, ‘ওরু মরাভাথুর কানাভু’, ‘থায়াগম’ ও ‘নিশব্দা’। সবশেষ ২০১১ সালে মালায়ালাম রাজনৈতিক অ্যাকশন থ্রিলার ‘কালেক্টর’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল মোহিনীকে।
আরএ