দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গত মাসে রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে সৃজিত মুখার্জীর বিচ্ছেদের সম্ভাবনার খবরে সরগরম হয়ে উঠেছিল সামাজিক মাধ্যম। ভারতের জনপ্রিয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা নাম প্রকাশ না করে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে তাদের ভেতরকার দূরত্বের খবর প্রকাশ করেছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বয়সে ছোট এক তরুণীকে মন দিয়েছেন সৃজিত। তবে তিনি কোনো অভিনেত্রী নন। ক্যামেরার পেছনে কাজ করেন। এদিকে এরইমধ্যে একমাস পেরিয়ে গেছে। সৃজিতের সঙ্গে বিচ্ছেদ সত্যিই কি হচ্ছে—জানালেন মিথিলা।
বিচ্ছেদের খবর মিথ্যা উল্লেখ করে মিথিলা বলেন, একটা মিথ্যা জিনিস মানুষ কীভাবে ছড়িয়ে দেয়, অবাক লাগে। অথচ কত ভালো ভালো কাজ করে যাচ্ছি, সেগুলো নিয়ে ওভাবে লেখাও হয় না, ছড়ানোও হয় না। অনলাইনের যুগে এসে যে যেভাবে পারছে, মনগড়া লিখে দিচ্ছে। তবে এসব নিয়ে আমি একদমই মাথায় ঘামাই না। দিনশেষে মিথ্যা মিথ্যাই থেকে যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘ওখানে (পশ্চিমবঙ্গ) একটি অনলাইন পোর্টালে মজা করে লেখা একটি গসিপ স্টোরি হয়েছিল। সেখানে কারোর নামও উল্লেখ ছিল না, কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিষয়টিকে অন্যান্য ওয়েব পোর্টাল রং দিয়ে আমাদের নাম জুড়ে দিয়েছে। এরপর যার যার মতো করে ছড়িয়েছে। কলকাতায় এ ধরনের গসিপের চর্চা নিয়মিতই হয়। সেখানে তারকারা এসব গসিপ নিয়ে মাথায় ঘামায় না। কারণ, কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা, তা সবাই জানে, বোঝে।’
এর আগে বিচ্ছেদের সম্ভবনার খবর প্রকাশের পর এক বাক্যে মিথিলা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘এই খবরের সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত নই। খবরে কি আমার নাম আছে?’
এর আগে একাধিকবার মিথিলা-সৃজিতের ভাঙনের গুঞ্জন উঠেছে। প্রত্যেকবার তারা বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এবারও তাই করলেন।
মিথিলা-সৃজিতের পরিচয় হয় সংগীতশিল্পী অর্ণবের একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের মাধ্যমে। সেখানে থেকেই বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। যদিও এর আগে, সৃজিতের সঙ্গে জয়া আহসানের প্রেমের গুঞ্জন ছিল মিডিয়া পাড়ায়।
সৃজিতের সঙ্গে বিয়ের আগে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয় ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট। তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের জুলাই মাসে। তাদের একমাত্র সন্তান আইরা এখন মিথিলার কাছেই আছে।