দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ওপার বাংলার শহর কলকাতায় দুর্গোৎসবের কার্নিভ্যালে নেচে ট্রোলিংয়ের মুখে পড়েছেন নায়িকা ঋতুপর্ণা। কার্নিভালে নৃত্য প্রদর্শনের পর তার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতেই চূড়ান্ত ট্রোলিংয়ের সম্মুখীন হন অভিনেত্রী।
ঋতুপর্ণার নাচের ভিডিওতে অনেকে আক্রমণ করে লেখেন, ‘নাচ করতে পারেন না কেন চেষ্টা করেন?' অনেকে আবার লেখেন, 'এর থেকে তো একজন বাচ্চাও ভাল নাচ করে’। যদিও এসব মন্তব্যের কোনো উত্তর দেননি ঋতুপর্ণা।
শুধু নাচের কারণেই নয়, এদিন দুর্গাৎসবের কার্নিভালে উপস্থিত ছিলেন তাদের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি; দুজনেরই সাক্ষাৎ হয় সেই গ্রাউন্ডে। মমতাকে প্রণাম করলেন ঋতুপর্ণা। তারও কিছু মুহূর্ত ছড়িয়ে পড়ে।
মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে এক ফ্রেমে বন্দি হওয়া নিয়েও ঋতুপর্ণাকে কটাক্ষ করা হয়। ঋতুপর্ণার ছবি শেয়ার করে নিয়ে তার সরকারি অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেছেন নেটিজেনরা।
এই প্রথম নয়, আরজি কর আবহে একাধিকবার ট্রোলিংয়ের সম্মুখীন হয়েছেন ঋতুপর্ণা। তিনি তিলোত্তমার বিচার চেয়ে শঙ্খধ্বনি করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। রাত দখলের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদে মুখর হয়ে শঙ্খধ্বনি করারও ডাক ছিল। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে ঋতুপর্ণাও একটি শঙ্খ বাজানোর ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। কিন্তু সেই ভিডিও মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। শুরু হয় ট্রোলিং। নেতিবাচক পরিস্থিতি দেখে ভিডিওটি মুছে ফেলেন ঋতুপর্ণা।
এরপর সশরীরে যোগ দিতে রাতদখলে যান ঋতুপর্ণা। সেখানে গো-ব্যাক স্লোগান ওঠে ঋতুপর্ণাকে ঘিরে। গাড়ি থেকে নামতেই অভিনেত্রীর দিকে ছোঁড়া হয় জুতা। চূড়ান্ত অপমানিত হয়ে সেখান থেকে ফিরে যান অভিনেত্রী।
কে