দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে। তবে, রাজনৈতিক কারণে কোথাও কোথাও হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এটাকে পুঁজি করে প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোর মহাৎসবে নেমেছে ভারতীয় তথা কলকাতার গণমাধ্যমগুলো। এ ক্ষেত্রে এক কাঠি সরেস রিপাবলিক বাংলা নামে একটি টেলিভিশন চ্যানেল এগিয়ে।
দেশটির গণমাধ্যমগুলো এটা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে যে, হাসিনার পদত্যাগের পর বাংলাদেশে একের পর এক সংখ্যালঘু তথা হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। ঘর-বাড়ি এমনকি মন্দির ভাঙা হচ্ছে। প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন ভিডিওচিত্র দেখানো হচ্ছে, যেগুলোর বেশিরভাগ মিথ্যা।
সত্যতা যাচাই করে জানা গেছে, তাদের দেখানে সেসব ভিডিওচিত্র সাম্প্রতিক সময়ের প্রাসঙ্গিক নয়। অন্য ঘটনাকে ম্যানুপুলেট করে হিন্দু নির্যাতনের অপপ্রচার করছে।
এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভে ফুঁসছেন সালমান মুক্তাদির। এর প্রতিবাদ না করায় দেশের ইউটিউবার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, অভিনয়শিল্পী আর সাংবাদিকদের একহাত নেন তিনি। পরে নিজেই কনটেন্ট বানানোর ঘোষণা দেন।
এর কয়েকদিন পরেই তিন মিনিট ২৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন সালমান। সেখানে বেশ শান্তভাবে ভারতের গণমাধ্যমগুলোর নেতিবাচক ভূমিকার সমালোচনা করেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক থাকলেও সেখানকার কয়েকটি সংবাদমাধ্যম মিথ্যা খবর প্রকাশ করে গুজব ছড়াচ্ছে।
কথা প্রসঙ্গে সালমান ভারতের মুসলিম নির্যাতন প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। জানান, বাংলাদেশে মাঝে মাঝে হিন্দু নির্যাতন হয়, যেমনটা ভারতে হয়।
ভিডিওতে ধর্ম-বর্ণ ভুলে মানবিক হতে বলেন সালমান। একজন মানুষ হিসেবে সব ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে জোরালো আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান এই জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন সালমান। নেমেছেন রাস্তায়। এ জন্য নানা চাপের মুখে পড়লেও ভয় পাননি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। অনুপ্রেরণা জুনিয়েছেন সামাজিক মাধ্যমেও।
কে