দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভয়ে আছেন মাহিয়া মাহি। নির্বাচনি প্রচারণায় প্রতিপক্ষের আক্রমণের আশঙ্কায় তিনি। তাই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেন নায়িকা।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন মাহি। দিন-রাত এক করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট চাইছেন।
শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে গোদাগাড়ীর পালপুর এলাকায় প্রচারে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন মাহি। এর দুই দিন আগে আরেক স্থানে যুব মহিলা লীগের এক নেত্রীর তোপের মুখে পড়েন তিনি। এসব কারণে এখন নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়ে থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
মাহির অভিযোগ, ভোটের মাঠে তাকে পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করছেন নৌকার সমর্থকরা।
তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে এক হাটে আমি গণসংযোগে যাই। অটোরিকশায় বসে থাকা এক নারী আমাকে ডাকেন। তিনি যুব মহিলা লীগের নেত্রী। বারবার আমাকে জিজ্ঞেস করছিলেন, আমি এলাকার জন্য কী করেছি? করোনার সময় কী করেছি। সেই ভিডিও করে আবার ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
মাহি আরও বলেন, ‘শুক্রবার রাতে আবার গোদাগাড়ীর পালপুর এলাকায় গণসংযোগ করছিলাম। আমার বক্তব্যের মাঝখানে একজন এসে আবার একই কথা বলেন, করোনার সময় কী করেছেন? আমি তখন বুঝতে পেরেছি এটা বলার নির্দেশনা আছে। এই কথা বলতে বলতে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি বলেন, এটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস। এই রাস্তায় আপনি গণসংযোগ করতে পারবেন না। আমি বলেছি, এটা সরকারি রাস্তা। কেন প্রচার করতে পারব না। আপনি আমাকে বাধা দিচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমি প্রশাসনকে জানানোর কথা বলি। তখন সরি বলেছেন। আমি বললাম, ঠিক আছে সবার সামনে সরি বললে মাফ করে দেব। ফাইনালি তিনি সরি বলেন। কিন্তু সবাই মিলে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ শুরু করেন। ফোন দিয়ে লোকজন জড়ো করেন। কাকে যেন ফোনে বলছিলেন, হুকুম দেন খালি। হুকুম যেন কী জিনিস, সেটা গাড়িতে করে নিয়ে আসছে। আমি ইউএনও-ওসিকে ফোন করে জানাই। পরে তারা আসেন।’
এই ঘটনায় শুক্রবার মধ্যরাতে গোদাগাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মাহি।
নির্বাচনে অংশ নিতে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন মাহিয়া মাহি। না পেয়ে রাজশাহী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী আবারও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। ওমর ফারুক চৌধুরী ও মাহিয়া মাহি ছাড়াও আরও নয়জন প্রার্থী রয়েছেন এ আসনে।
আর