দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ডিগবাজি দিয়ে রীতিমতো ভাইরাল জায়েদ খান। তাই যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই তাকে ডিগবাজি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। তিনিও নিরাশ করেন না। বরং উৎসাহের সঙ্গে এটা করে থাকেন।
তবে জায়েদের এই ডিগবাজি নিয়ে ট্রল কম হয় না। নেটমাধ্যমে হাসির পাত্র তিনি। কিন্তু চলচ্চিত্রের জ্যেষ্ঠ অভিনেতারা তার এমন কাণ্ডে বিরক্ত। যেমন কিংবদন্তি অভিনেতা সোহেল রানা।
সম্প্রতি এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে জায়েদের ডিগবাজি দেওয়াকে ‘বাদুড় নাচ’ বলে কটাক্ষ করেছেন সোহেল রানা।
জায়েদ খানের একের পর এক উদ্ভট মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে সোহেল রানার কাছে মতামত জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘জায়েদ খানকে নিয়ে এখন আর কথা বলতে চাই না। কারণ এখন সে আর এটার উপযুক্ত না। আমি তাকে নিয়ে যা বলতাম এখন আর সে উপযুক্ততায় নেই। তাকে নিয়ে কথা বলে আমার সময় নষ্ট করতে চাই না।’
আক্ষেপ প্রকাশ করে এই নায়ক আরও বলেন, ‘ও (জায়েদ খান) যে বিভিন্ন সময় বলে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাশ করেছে, এটাতে আমাদের অনেক খারাপ লাগে। কখনও ওর সঙ্গে দেখা হলে আমি বলব, তুমি এটা আর বলো না। আজ থেকে ৫৪ বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে মাস্টার্স করে বের হয়েছি আমি। আমরা যখন ঢাবি থেকে বের হতাম তখন আমাদের সবাই সম্মান করত। আর তুমি (জায়েদ খান) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে মেয়েদের সামনে ডিগবাজি মারছো। নাচ করলে গোবিন্দার মতো নাচো, আমি তোমাকে অনার করব; কিন্তু এটা তুমি কী করছো?’
জায়েদের ডিগবাজি নিয়ে সোহেল রানা বলেন, ‘এগুলো তো ডিগবাজি না। ডিগবাজি এ রকম হয় না। তুমি যেটা করছ, সেটা হলো বাদুড় নাচ।’
এর আগে ডিগবাজি দেওয়া প্রসঙ্গে জায়েদ বলেছিলেন, ‘ডিগবাজি মানুষ পছন্দ করে ফেলছে। শাহরুখ খান যখন হাত উঁচু করে দাঁড়াত তখন কি তিনি জানতেন—এটাই হতে যাচ্ছে তার সিগনেচার স্টাইল! কোন স্টেপ কে কখন পছন্দ করে—সেটা তো কারও জানা নেই। আমি তো ভাইরাল করার জন্য ডিগবাজি দেইনি।
তবে ঢাকার ডিগবাজি ভাইরাল হলেও জায়েদ আমেরিকায় শুরু করেছিলেন এটি। তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় একটি গানের নাচের স্টেপ ভুলে গিয়েছিলাম। যখন মিউজিকের তাল ভুলে যাই, তখন তা মিলানোর জন্য ডিগবাজি দিয়েছিলাম। চুরি করার জন্য দিয়েছিলাম। যেটা শিখে গিয়েছিলাম সেটা ভুলে যাওয়ার পর ডিগবাজি দিলাম। দেখি সেটা হিট হয়ে গেছে। এটার ধারাবাহিকতায় চলছে এখন। এটা এখন আমার সিগনেচার স্টেপ হয়ে গেছে। যেখানে যাই সবাই এটাই চায়, আমিও দেই।’
কয়েকদিন আগে ইউটিউবার হিরো আলম দাবি করেছিলেন, তার কাছ থেকে ডিগবাজি দেওয়াটা নকল করেছেন জায়েদ খান। তখন তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন, দিন দিন তার পাগলামিটা বেড়ে চলেছে।
আর