দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সমালোচনা হোক বা ট্রল—এসবের কিছুতে পাত্তা দেন না স্বস্তিকা মুখার্জী। বাঁচেন নিজের শর্তে। কারণ তিনি জানেন, অন্যের নেতিবাচক কথা কানে তুললে পিছিয়ে পড়তে হবে।
স্বস্তিকার অনুরাগীর সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। কিন্তু হেটার্সদের তালিকাও বেশ বড়। তাই তো সামাজিক মাধ্যমে কোনো ছবি প্রকাশ করলেই ধেয়ে আসে কটাক্ষ। মাঝে মাঝে সপাটে সেসবের উত্তরও দেন।
স্বস্তিকা বেশিরভাগ শাড়ি পরা ছবি প্রকাশ করেন। বলিউডের বিদ্যা বালানের শাড়ি ফ্যাশন যদি সবচেয়ে চর্চিত হয়, তাহলে টলিপাড়ায় তার শাড়ি কালেকশন নিয়ে আলোচনা সবচেয়ে বেশি।
শাড়ির পাশাপাশি স্বস্তিকার ব্লাউজ নিয়েও কম চর্চা হয় না। চল্লিশোর্ধ নায়িকা মেকআপ ছাড়া লুকে ছবি দিতে ভয় পান না। নিজের বয়স লুকিয়ে রাখা তার স্বভাব-বিরুদ্ধ। তবে শরীরের নানা অঙ্গ নিয়ে বারবার কদর্য আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। তার স্তনের আকার থেকে শুরু করে চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল— কোনোটা থেকে ছাড় পায়নি কিছুই।
ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নন স্বস্তিকাও। হাতকাটা ব্লাউজ পরে ছবি দিলে অনেক সময়ই বিদ্রুপের মুখে পড়েন তিনি। তাতে স্বস্তিকা থোড়াই কেয়ার করেন!
সম্প্রতি এক বই প্রকাশ অনুষ্ঠানেও কালো রঙের স্লিভলেস পরে হাজির স্বস্তিকা। একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে দিলেন কড়া বার্তা। তিনি লিখেছেন, ‘আমার হাত মোটা তাতে কি? হাতা কাটা বেলাউজ (ব্লাউজ) পরতে ইচ্ছে করলে পরব! আর এটা বেলাউজও (ব্লাউজ) না, মেয়ের টপ।’
কম বয়সে বিয়ে, ভাঙা সংসারের যন্ত্রণা—সবটা সামলে সফল ক্যারিয়ার গড়েছেন স্বস্তিকা। টেলিভিশন সিরিয়ালের মাধ্যমে অভিনয় শুরু তার। অভিনেতা সন্তু মুখার্জীর মেয়ে হলেও ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা করে নিতে কঠিন লড়াই লড়েছেন। কমার্শিয়াল ও আর্ট হাউজ, দুই ধরনের ছবিতেই দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন। এখন টলিপাড়ার গণ্ডি ছাপিয়ে বলিউডের পরিচিত নাম তিনি।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
আর