দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বলা হয়ে থাকে বিপদে বন্ধুর পরিচয়। টলিউডের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী। দুজনে আবার সংসদ সদস্যও। তাদের বন্ধুত্বের কথা সবাই জানেন। তারা পরস্পরকে ‘বনুয়া’ বলে ডাকেন।
যদিও এসব পুরোনো খবর। নতুন খবর হলো, ফ্ল্যাট-কাণ্ডে প্রতারণা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে নুসরাতকে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটে (ইডি) যেতে হবে তাকে। এখন প্রশ্ন হলো, নুসরাতের এই বিপদের সময় কি পাশে আছেন বন্ধু মিমি? টলিউডের অন্দরমহলে এটাই আলোচনা। মিমির সামাজিক মাধ্যমের দিকে নজর রাখলে দেখা যাচ্ছে, ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন শুটিংয়ের কিছু চিত্র। কখনও আবার খেলা করছেন সারমেয়দের সঙ্গে।
তাহলে নুসরাতের সঙ্গে কি মিমি ফোনে কথা বলেছেন? এটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। তাদের পক্ষ থেকে অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া দেননি অভিনেত্রী।
নুসরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৪ সালে তার প্রতিষ্ঠান মেসার্স সেভেন সেন্স ইনফাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড ৪২৯ জনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার রুপি করে নিয়েছিল তিন বছরের মধ্যে ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে। যদিও প্রায় ৯ বছর কেটে যাওয়ার পর আজও ফ্ল্যাট পাওয়া যায়নি।
তখন নাকি নুসরাতের প্রতিষ্ঠান দাবি করেছিল, রাজারহাট হিডকোর কাছে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে এই ৪২৯ জনকে। সেখানেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পাশাপাশি রাকেশ সিং নামে আরও একজন ডিরেক্টর আছেন এই প্রতিষ্ঠানের। তাকেও তলব করেছে ইডি। সময় অনুযায়ী ফ্ল্যাট না পেয়ে প্রতারিতরা অভিযোগ দায়ের করেছিলেন গড়িয়াহাট থানায়।
আলিপুর কোর্টেও এ নিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে তারা না ফ্ল্যাটের মুখ দেখেছেন, না ফেরত পেয়েছেন সেই অর্থ। শেষ পর্যন্ত তাই ইডির কাছে এ নিয়ে নালিশ করেছেন তারা।
অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর নুসরাত একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ উড়িয়ে দেন। নায়িকা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তিনি ফ্ল্যাট কিনেছেন। সেই ঋণ সুদসহ ফিরিয়েও দিয়েছেন। এরপর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তার আর কোনো যোগাযোগ নেই।
কোনো দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন বলে দাবি করেন নুসরাত। তবে সাংবাদিক সম্মেলনের বাইরে সাংবাদিকদের আর প্রায় কোনো প্রশ্নেরই জবাব তাকে দিতে শোনা যায়নি।
ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার এই মামলায় প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন নুসরাত। একটি পার্টিতে স্বামী অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের পাশে দাঁড়িয়ে জোর দিয়েই তিনি দাবি করেছিলেন, ইডি তাকে ডাকবে না।
আরএসও