দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বলিউড তারকা সালমান খানের নাম জড়িয়ে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলা নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘কালা হিরাণ: ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’র মুক্তি বন্ধের আবেদন ঘিরে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। সিনেমাটির মুক্তি বন্ধে সালমান খানের করা মামলায় দিল্লি হাইকোর্টের ভৌগোলিক এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রযোজক অমিত জানি। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সালমানের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিশ জারি করেছেন আদালত।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ এ নোটিশ জারি করেন। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রযোজক অমিত জানির দাবি, সিনেমাটির মুক্তি বন্ধের আবেদন শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার দিল্লি হাইকোর্টের নেই। তাই সালমান খানের দায়ের করা মামলাটি খারিজ করা উচিত।
আদালতে অমিত জানির আইনজীবী যুক্তি দেন, সালমান খান মুম্বাইয়ে বসবাস করেন এবং প্রযোজক থাকেন উত্তর প্রদেশের মিরাটে। তাদের কেউই দিল্লি হাইকোর্টের বিচারিক এলাকার বাসিন্দা নন কিংবা সেখানে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করেন না। সারা দেশের মতো দিল্লিতেও সিনেমাটির টিজার, পোস্টার ও প্রচারসামগ্রী প্রকাশিত হওয়াকে আদালতের এখতিয়ার প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট বলেও মনে করেন না তিনি।
এর আগে সিনেমাটির মুক্তি ও প্রচার বন্ধের আবেদন জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সালমান খান। অভিনেতার অভিযোগ, ১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা এবং তার জীবনের ঘটনাপ্রবাহকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হচ্ছে ‘কালা হিরাণ: ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’। সিনেমাটিতে তাঁর নাম, চালচলন, বাচনভঙ্গি ও আইকনিক সিনেমাগুলোর আবহ হুবহু ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সালমানের দাবি, হরিণ শিকারের চারটি মামলার মধ্যে তিনটিতে তিনি খালাস পেয়েছেন। বাকি আপিলগুলো এখনো রাজস্থান হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এমন পরিস্থিতিতে সিনেমাটিতে নাটকীয়ভাবে তার বিচারপ্রক্রিয়া তুলে ধরা হলে তা নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার আইনি অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে। এ ছাড়া সিনেমাটির টিজারে তাকে অপরাধী হিসেবে ইঙ্গিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এই অভিনেতা।
প্রযোজকের নতুন আবেদনের পর মামলাটিতে এখন মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, সিনেমাটির মুক্তি বন্ধের আবেদন শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার দিল্লি হাইকোর্টের রয়েছে কি না। এ বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের পরই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি স্পষ্ট হবে।
যে আই