দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার জীবনের নতুন অধ্যায়ের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ব্যাংক কর্মকর্তা তানজিম তৈয়বকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে ঘরোয়াভাবে কেক কেটে বিশেষ দিনটি উদযাপনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্টে অতীতের তিক্ততা, ভুল সিদ্ধান্ত ও মানসিক লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেছেন ফারিয়া। একই সঙ্গে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের প্রতি জানিয়েছেন কৃতজ্ঞতা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে শবনম ফারিয়া লেখেন, ‘আল্লাহ তার সৃষ্টিকে খুব বেশিদিন কষ্টে রাখেন না। তিনি আমাকেও এত বছরের কষ্ট সহ্য করার উপহারস্বরূপ এই ভদ্রলোককে আমার জীবনে পাঠিয়েছেন। তার চেয়েও বড় উপহার আমাকে চমৎকার একটা পরিবারের অংশ করেছেন, যেখানে আমি আমার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সব শেয়ার করতে পারি। ননদের সঙ্গে তার ভাইকে নিয়ে হাসাহাসি করতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ।’

তবে বিবাহবার্ষিকীর আনন্দের পোস্টেই থেমে থাকেননি ফারিয়া। নিজের অতীত জীবন, ভুল সিদ্ধান্ত ও সামাজিক চাপের কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।
অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকটা মানুষের মতো আমিও জীবনে আমি অনেক ভুল করেছি, কিন্তু আমার কিছু ভুল শুধু শুধু ভুল বললে হবে না, লিটরালি নিজের সঙ্গে নিজে অন্যায় করেছি, সামাজিকতা রক্ষায় নিজ চরিত্রের বাইরে গিয়ে অন্যায় সহ্য করেছি, পচা শামুকে পা কেটে এমন দাগ ফেলেছি যে প্লাস্টিক সার্জারি করেও সে দাগ তোলা যাবে না।’
অতীতের সেই কঠিন সময় পেরিয়ে এখন নতুন জীবনে স্বামী ও পরিবারের ভালোবাসাকে নিজের জীবনের বড় পাওয়া হিসেবেই দেখছেন অভিনেত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘সহ্য না করতে পারলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে কখনো কখনো রাগ ঝেড়েছি, নিজের এবং অন্যের ওপর জমা এই জেদ সরাতে কাউন্সেলিং, থেরাপি কিছুই বাদ দিইনি। জীবন থেকে বেশ কিছু বছর চলে গেছে ভেতরে সেই জমা আর্তনাদ থেকে পালাতে।’
সর্বশেষে স্বামী তানজিম তৈয়বের জন্য পোস্টে একটি মিষ্টি ও হাস্যরসাত্মক বার্তাও দিয়েছেন অভিনেত্রী। তানজিমকে ট্যাগ করে মজার ছলে তিনি লেখেন, ‘‘হ্যাপি অ্যানিভার্সারি তানজিম। সামনের বছরের তোমার প্রতিপাদ্য বিষয়—‘রুম থেকে বের হলে লাইট/ফ্যান/এসি অফ করতে হয়’ আর ‘ফ্রিজ থেকে পানি বের করলে ফ্রিজের দরজা বন্ধ করতে হয়’।”
/অ