দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) শিক্ষার্থীরা টানা তৃতীয় সপ্তাহে তাদের বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। শিক্ষার্থীরা কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, দুর্নীতি এবং প্রশাসনের একটি অনুমোদনহীন সিন্ডিকেটের প্রভাবের অভিযোগ তুলেছে। এছাড়া জবাবদিহিতা, শিক্ষকদের বরখাস্ত এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি করেছে তারা।
গত ২৩ নভেম্বর মেকানিক্যাল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (এমপিই) বিভাগের বার্ষিক পিকনিকে যাওয়ার পথে তৃতীয় এবং চতুর্থ বর্ষের ছাত্রদের বহনকারী একটি বাস বৈদ্যুতিক লাইনের সংস্পর্শে আসায় দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তৃতীয় বর্ষের তিন শিক্ষার্থী মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারায় এবং পাঁচজন আহত হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উদ্বেগ প্রকাশের পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং কতিপয় শিক্ষক চরম দায়িত্বহীনতা প্রদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে বিভাগীয় প্রধানের কিছু মন্তব্যে শোকসন্তপ্ত ছাত্রদের কাঁধে দোষ চাপানোর প্রয়াসও দেখা যায়।
এছাড়াও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আইইউটি’র মধ্যে ‘চলুক’ নামে একটি কথিত অনুমোদনহীন শিক্ষক ফোরামের অস্তিত্ব রয়েছে। যা সিন্ডিকেট নামেও পরিচিত। আর এই সিন্ডিকেটের কিছু ফ্যাকাল্টি সদস্য প্রশাসনের ওপর প্রভাব রাখেন। শিক্ষার্থীরা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।
শিক্ষার্থীরা গত দুই সপ্তাহ ধরে মিছিল, র্যালি, ক্লাস বয়কট করে প্রতিবাদ জানায়। শিক্ষার্থীরা প্রথমে ৮ দফা দাবি পেশ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করার পর তারা জবাবদিহিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের আহ্বানসহ তাদের দাবিগুলি ব্যাখ্যা করে।
এর প্রতিক্রিয়ায়, আইইউটি’র চ্যান্সেলর, অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) মহাসচিব বাংলাদেশ ভ্রমণ এবং শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ সমাধানের জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে শিক্ষার্থীরা জানায়, তাদের দাবি সম্পূর্ণরূপে পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এবং সন্তোষজনক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাস ও পরীক্ষাসহ সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবে।
অ