দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি, নজরদারি ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনা তিনটিই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত দামের ব্যবধান কতটা যৌক্তিক, আর কোন স্তরে বাড়ছে ব্যবসায়ীদের মার্জিন, তার স্বচ্ছ তথ্য এখনো সহজলভ্য নয়। এই তথ্য ঘাটতিতে কী বাড়ছে অযৌক্তিক মুনাফার সুযোগ? এমন প্রশ্নের মধ্যেই বেসরকারি উদ্যোগে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডের মাধ্যমে বাজারদর প্রকাশের প্রস্তাব। সরকারের অনুমোদন মিললে পাইলট প্রকল্পে বসানো হবে ৪০টি বোর্ড।
বাজারে একটি পণ্যের উৎপাদক মূল্য আর ভোক্তা মূল্যের ব্যবধান কতটা, সাধারণ ক্রেতার পক্ষে তা যাচাই করা কঠিন।
দেশের বাজার ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল মনিটরিংয়ের পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয়, উৎপাদক মূল্য ও ভোক্তা মূল্যসব তথ্য একসঙ্গে প্রকাশের উদ্যোগ এখনো বড় পরিসরে দৃশ্যমান নয়। এমন বাস্তবতায় বেসরকারি উদ্যোগে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড বসানোর প্রস্তাব দিয়েছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেড এম ইন্টারন্যাশনাল।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির উদ্দিন আহমেদ বলছেন, এর মাধ্যমে প্রতিদিনের বাজারদর দৃশ্যমান করা, অতিরিক্ত মুনাফার সুযোগ কমানো এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্তে ভোক্তাকে সক্ষম করা যাবে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারি অর্থ সহায়তা চায় না প্রতিষ্ঠানটি। পিপিপি মডেলে নিজস্ব বিনিয়োগে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা তাদের।
বাজারদরের তথ্য প্রকাশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ভোক্তা সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব)।
সংগঠনটির সভাপতি এইচ এম সফিকুজ্জামানের মতে, দাম প্রকাশ্যে এলে বাড়বে ভোক্তার সচেতনতা। পাশাপাশি বাড়বে বাজারের জবাবদিহিতা।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. এম এম আকাশ বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে ডিজিটাল মূল্য মনিটরিং কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে। তবে শুধু ভোক্তা মূল্য নয়, বোর্ডে অবশ্যই উৎপাদক পর্যায়ের মূল্য ও উৎপাদন ব্যয় উল্লেখ করতে হবে।
সরকারের অনুমোদন মিললে প্রথম ধাপে ৪০টি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড বসিয়ে পাইলট প্রকল্প শুরু করতে চায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটি।
কে