দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভরা মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে ভোলার বাজারে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে। নদীতে জেলেদের জালে বেশি ইলিশ ধরা পড়ায় আড়ত ও বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি আকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি দাম ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোলার বিভিন্ন মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে। মাঝারি আকারের ইলিশের দাম ২ হাজার ৫০০ টাকার মতো। আর ছোট আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে নদীতে তুলনামূলক বেশি ইলিশ ধরা পড়ছে। এতে আড়তে সরবরাহ বেড়েছে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি বিভিন্ন মোকামেও ইলিশ পাঠানো হচ্ছে। দাম কিছুটা কমায় বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও বেড়েছে।
ইলিশ ব্যবসায়ী জলিল ও সাহাবুদ্দিন বলেন, নদীতে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় আগের তুলনায় দাম কিছুটা কমেছে। এতে বেচাকেনাও বেড়েছে।
বিক্রেতা রহিম ও সিরাজ বলেন, আকারভেদে ইলিশের দাম কমেছে। ফলে ক্রেতাদের ভিড়ও বেড়েছে।
তবে ব্যবসায়ীদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও সে অনুযায়ী দাম কমেনি। অনেক ব্যবসায়ী এখনো আগের দামেই মাছ বিক্রি করছেন।
ক্রেতা মাইনুদ্দিন, মনিরুজ্জামান ও রাসেল বলেন, ‘মাছের দাম আগের মতোই আছে। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম হাঁকাচ্ছেন।’
সচেতন মহলের মতে, ইলিশের দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো নিম্ন ও মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। বাজারে সরবরাহ আরও বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হলে ইলিশসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে।
ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভোলা শাখার সভাপতি মো. ছুলাইমান বলেন, মাছসহ নিত্যপণ্যের দামে যে অস্থিরতা রয়েছে, তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। এ বিষয়ে প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন।
ভোলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোস্তফা সোহেল বলেন, মাছসহ নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। কেউ অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই