দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে পাঁচ দিনের আলোচনা শেষ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের প্রতিনিধিদল। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, চলমান সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ভিত্তি তৈরিতে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর আগে রোববার (১২ জুলাই) ঢাকায় পৌঁছায় আইএমএফের ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল। পাঁচ দিনের সফরে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করে তারা। আলোচনায় উঠে আসে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি, চলমান সংস্কারের অগ্রগতি এবং সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচির কাঠামো। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সফরের শেষ দিনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিনিধিদল।
বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, এবারের সফরে সরকারের আর্থিক নীতি, বিনিময় হার ব্যবস্থা, মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাংক খাতের সংস্কারের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছে আইএমএফ। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা জোরদার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং আর্থিক খাতের সংস্কার এগিয়ে নিতে সরকারের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করছে আইএমএফ। সরকার আশা করছে, সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির আওতায় তিন বছরের জন্য সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ পাওয়া যেতে পারে। এ অর্থ বাজেট সহায়তা, বৈদেশিক অর্থায়নের চাপ কমানো এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এবারের সফরে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি না হলেও সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচির ভিত্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।
কেএম