দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিদেশি বিনিয়োগ টানতে নানা উদ্যোগের কথা বললেও বাস্তব চিত্র বলছে উল্টোটা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ৪৩ শতাংশ। অন্যদিকে, আঙ্কটাডের বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিবেদন বলছে, গেল বছর দেশে এফডিআই এসেছে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার যা আফ্রিকার উগান্ডা ও ঘানার চেয়েও কম।
ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজনৈতিক ও নীতিগত অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট এবং দুর্বল বিনিয়োগ পরিবেশের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ হারাচ্ছেন।
শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগকে অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে সেই প্রবাহ এখন নিম্নমুখী।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চে দেশে নিট বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে প্রায় ৪৩ শতাংশ।
জাতিসংঘ আঙ্কটাডের ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট রিপোর্ট বলছে, বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রবাহে ধীরগতি থাকলেও প্রতিযোগী অনেক দেশ নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে সফল হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।
ব্যবসায়ী নেতা ডিসিসিআই সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলছেন, নিরাপদ বিনিয়োগে গ্যাস-বিদ্যুৎ, করনীতি, শুল্ক জটিলতা এবং অনুমোদনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া বিদেশি উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করছে।
অর্থনীতিবিদ পলিসি থিংক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ সেন্টার চেয়ারম্যান মো. মাজেদুল হক বলছেন, শুধু বিনিয়োগে প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব সংস্কারই এখন সবচেয়ে জরুরি। আইনের শাসন, চুক্তি বাস্তবায়ন, কর ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং ব্যবসা সহজীকরণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে বিদেশি বিনিয়োগে কাঙ্ক্ষিত গতি ফিরবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এফডিআই কমে যাওয়া শুধু বিনিয়োগের সংকট নয়, ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও রপ্তানি সক্ষমতার জন্যও বড় সতর্কবার্তা।
কে