দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এবং আর্থিকভাবে সংকটাপন্ন কোম্পানিগুলো নিয়ে রেড এলার্ট জারি করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, কার্যক্রম বন্ধ বা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকাভুক্তি বজায় রাখা বাজারের স্বার্থে ক্ষতিকর, তাই দ্রুত তালিকাচ্যুতির তাগিদ দেন।
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা তিনশোর অধিক। এর মধ্যে ৩৩টি কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম বন্ধ, আর ৪৩টি কোম্পানি আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এদের মধ্যে দুই তালিকায় রয়েছে ১২টি কোম্পানি।
এসবের মধ্যে একটি ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তাদের কার্যক্রম বন্ধের পর্যায়ে রয়েছে।
এদিকে, রেড এলার্টভুক্ত ৭৬টি কোম্পানির লেনদেন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করেছে ডিএসই।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষক আহমেদ রশীদ লালীর মতে, এসব কোম্পানিকে সময়োপযোগী সংস্কারের মাধ্যমে পুনর্গঠন করা গেলে লেনদেনে আস্থা ফিরবে।
ডিএসই বলছে, দুর্বল কোম্পানির শেয়ারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও কারসাজির ঝুঁকি কমাতেই এই উদ্যোগ।
অর্থনীতিবিদ ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদের মতে, এসব শেয়ারে বিনিয়োগ স্বভাবতই ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক দেশে এমন কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত থাকার সুযোগই দেওয়া হয় না।
অর্থনীতিবিদ ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ মতে, শুধু তালিকা প্রকাশ যথেষ্ট নয়; দুর্বল কোম্পানির শেয়ারে কারসাজি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি কঠোরভাবে দমন করতে হবে।
বিশ্লেষকদের পরামর্শ, বিনিয়োগের আগে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, নিরীক্ষকের মতামত এবং প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি।
কে