দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবেশ করবে নতুন বাস্তবতায়। ধীরে ধীরে শেষ হবে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা, বাড়বে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা। তাই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে প্রবেশাধিকার ধরে রাখতে সরকার এফটিএ ও জিএসপি প্লাস সুবিধা নিশ্চিতের কৌশলে এগোচ্ছে।
ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মতে, সময়োপযোগী সংস্কার ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করা গেলে এলডিসি-পরবর্তী সময়ে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় অর্ধেকই যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে। এলডিসি সুবিধার আওতায় এভরিথিং বাট আর্মস কর্মসূচির মাধ্যমে এতদিন শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার মিললেও ২০২৯ সালের পর সেই সুবিধা শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ বাস্তবতায় এফটিএর পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় কমানো, বন্দর ও কাস্টমস আধুনিকায়ন, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি এবং সহজ অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন ব্যবসায়ী নেতা বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
ভিয়েতনাম ও ভারতের মতো প্রতিযোগী দেশগুলো ইতোমধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুবিধা নিচ্ছে। তাই এলডিসি পরবর্তী প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিকল্প নেই বলছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
অর্থনীতিবিদ ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ'র চেয়ারম্যান ড. এম মাশরুর রিয়াজের মতে, এলডিসির সঠিক উত্তরণ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগও হতে পারে। এলডিসি উত্তরণে যেতে অতিরিক্ত যে সময় পাওয়া গেছে তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের তাগিদ তাদের।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউরোপের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য, কানাডা ও নতুন বাজারগুলোর সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে পোশাকের বাইরে ওষুধ, চামড়া, আইসিটি, কৃষি প্রক্রিয়াজাত ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে রপ্তানি বাড়ানোর তাগিদও দিচ্ছেন তারা।
কে