দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মাসুদ খান এবং নবনিযুক্ত তিন কমিশনারকে অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)।
৭ জুন ২০২৬ তারিখে ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ বিএসইসি কার্যালয়ে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। ডিএসই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সৈয়দ হাম্মাদুল করীম, মুহাম্মদ ইসহাক মিয়া, সৈয়দা জাকেরিন বখত নাসির, স্নেহাশীষ বড়ুয়া এফসিএ, রিচার্ড ডি রোজারিও, মিনহাজ মান্নান ইমন, মো. হানিফ ভূঁইয়া, মো. সাজেদুল ইসলাম এবং ডিএসই ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠকের শুরুতে বিএসইসি’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করতে কমিশন একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমিয়ে সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রণীত আইপিও, মার্জিন ঋণ ও মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পুঁজিবাজারের কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাইজেশন নিশ্চিত করা এবং আইপিও প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর টেকসই পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে কমিশন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে ডিএসই বোর্ড ও ব্যবস্থাপনা সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। তিনি ঝুঁকিভিত্তিক নিয়ন্ত্রক পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডিএসই’র পরিচালক সৈয়দা জাকেরিন বখত নাসির বলেন, কার্যকর উন্নয়নের জন্য বিএসইসি ও ডিএসই’র মধ্যে দায়িত্ব ও কর্তৃত্বের স্পষ্ট বিভাজন, সমন্বয় এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরও উন্নত করা প্রয়োজন।
স্নেহাশীষ বড়ুয়া এফসিএ বলেন, আইপিও ও রাইটস ইস্যু প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
রিচার্ড ডি রোজারিও শেয়ার ক্যাটাগরি ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন, আধুনিক সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা চালু এবং ডিলিস্টিং প্রক্রিয়া কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন।
মিনহাজ মান্নান ইমন ব্রোকারেজ খাতে অনিয়ম প্রতিরোধ এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার জানান, স্ক্রিপ্ট নেটিং ও টি+১ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং বিএসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে।
শেষে ডিএসই’র চেয়ারম্যান আবারও নবনিযুক্ত বিএসইসি চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
এমএস/