দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গত এক বছরে দেশে ২৫৮টি রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি বলেন, শ্রমিক আন্দোলন ও নীতিগত অনিশ্চয়তার কারণে শিল্প খাত ইতোমধ্যেই চাপে রয়েছে। এর মধ্যেই ২০ জন শ্রমিক মিলে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘গত বছরের আগস্ট থেকে শ্রমিক অসন্তোষের কারণে অনেক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এখন উদ্যোক্তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, কিন্তু নতুন সিদ্ধান্তগুলো আবারও সংকট তৈরি করবে।’
এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়াই আগামী বছর এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন হলে দেশ পিছিয়ে পড়বে। এতে বিনিয়োগ কমবে, রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ কার্যকর হলে বৈদেশিক বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং শিল্পখাতে অস্থিরতা তৈরি হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বন্দরের সক্ষমতা না বাড়িয়ে একসঙ্গে ৪১ শতাংশ মাশুল বাড়ানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এতে রপ্তানি বাণিজ্য বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।’
এ সময় তিনি প্রশাসনিক জটিলতা, ব্যয়বৃদ্ধি ও তহবিল ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা তুলে ধরে শ্রমিক কল্যাণ তহবিল ও সার্বজনীন পেনশন স্কিমের কার্যকারিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি আহ্বান জানান, শিল্পবান্ধব নীতি গ্রহণের আগে অবশ্যই ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। তাঁর ভাষায়, ‘দেশীয় উদ্যোক্তাদের সময় না দিয়ে বিদেশিদের সুবিধা দিলে এর দায় সরকারেরই নিতে হবে।’
এমএস/