দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও কমেছে। এশিয়ার ক্রেতাদের কাছে ওমান হয়ে অতিরিক্ত তেল সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব।
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ২৪ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১ দশমিক ১৪ ডলার বা ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০১ দশমিক ২৯ ডলারে।
এর আগে বুধবারও দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ৩ ডলার করে কমেছিল।
সৌদি আরামকো ওমানের সোহর বন্দরের কাছে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে এশিয়ার ক্রেতাদের অতিরিক্ত সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে আরব লাইট, আরব মিডিয়াম ও আরব হেভি গ্রেডের তেল রয়েছে।
সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার পর লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল বোঝাই ব্যাহত হওয়ায় চলতি সপ্তাহের শুরুতে তেলের দাম চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল।
পাইপলাইনের দুটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো পুরোপুরি মেরামত করতে কত সময় লাগবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মজুতের তথ্যও তেলের দামে চাপ বাড়িয়েছে। দেশটির এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, গত সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত মাত্র ৬ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল কমেছে। তবে রয়টার্সের জরিপে মজুত ১৬ লাখ ব্যারেল কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। সৌদি আরবের ইয়েমেনে হামলা এবং হুতিদের পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে তেল সরবরাহব্যবস্থা এখনো ঝুঁকিতে রয়েছে।