দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় রিমান্ডে থাকা অবস্থায় পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়া মিতু আক্তারকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন। আদালতে মিতুকে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৌমিত্র সরকার।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিন উদ্দিন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মিতুর পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
এর আগে, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে মিতুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আদালতে দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে মিতুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গত ২৪ আগস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান কবির তাকে থানায় নিয়ে যান। ওই সময় মিতুর সঙ্গে ছিল তার দুই বছর পাঁচ মাস বয়সী শিশু সন্তান।
রিমান্ড চলাকালে মামলার ঘটনা নিয়ে তাকে কয়েক দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২৭ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এর আগে সকালে নিয়ম অনুযায়ী ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মিতুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
চিকিৎসা, পরীক্ষা শেষে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তাকে আবার যাত্রাবাড়ী থানায় আনা হয়। পরে থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কে এক নারী কনস্টেবলের পাহারায় রাখা হয় মিতুকে। সেখানেই কৌশলে দরজা খুলে শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় শুক্রবার যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন এসআই খন্দকার আবু সালেহ নাঈম।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, মূল হত্যা মামলাটি এখনো তদন্তাধীন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মিতুকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কে